বিডি নিউজ ৬৪: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহ পূর্ণ করার দিনেই সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের প্রবেশে বিতর্কিত নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিশ্বজুড়ের নিন্দার মুখে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই রবিবার তিনি মুসলিমদের ঠেকাতে সীমান্তে দ্বিগুণ কঠোরতা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আর হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে সাতটি মুসলিম দেশের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আরও মুসলিম দেশ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
এনবিসিকে নিউজকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ রেইন্স প্রেইবাস বলেছেন, এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আরও মুসলিম দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মতো দেশ, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত, সেসব দেশ এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসেনি।
তবে প্রেইবাস দাবি করেন, এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী নাগরিকরা পড়বেন না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় তাদেরকে কঠোরভাবে যাচাই ও পরীক্ষা করা হবে।
চিফ অব স্টাফ বলেন, আমরা চাই না, এই সাত দেশের মানুষ আমাদের দেশে ফিরে আসুক। যুক্তরাষ্ট্র ও সন্ত্রাসীদের নিজ দেশে তারা মুক্তভাবে চলাফেলা করুক আমরা তা চাই না।
এদিকে, রবিবার এক টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অনেক খ্রিস্টানদের হত্যা করা হচ্ছে। এই নৃশংসতা আমরা চলতে দিতে পারি না।’
শুক্রবার সাত দেশের মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির নির্বাহী আদেশ দেওয়ার পর বিশ্বজুড়ে নিন্দা শুরু হয়। ট্রাম্পের এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে দেশটির বিভিন্ন সংস্থার মধ্যেও এক ধরনের সমন্বয়হীনতা শুরু হয়। প্রথমে হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়া গ্রিনকার্ডধারীরাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: পলিটিকো