নীলফামারী জেলা পরিষদ সদস্য পদে জামানত হারিয়েছেন ২৮ প্রার্থী
নীলফামারী জেলা পরিষদ সদস্য পদে জামানত হারিয়েছেন ২৮ প্রার্থী

নীলফামারী জেলা পরিষদ সদস্য পদে জামানত হারিয়েছেন ২৮ প্রার্থী

বিডি নিউজ ৬৪: নীলফামারী জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে জামানত হারিয়েছেন ২৮ প্রার্থী। এর মধ্যে শূন্য ভোটে নয়জন এবং মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেয়ে ১৯ জন তাদের জামানত হারিয়েছেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নীলফামারী জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৫টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ৬৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৪ জন প্রার্থী এবং সংরক্ষিত ৫টি নারী সদস্য পদে ১৭ জনের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন চারজন।

সাধারণ সদস্য পদে ৬টি ওয়ার্ডে শুন্য ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন নয়জন প্রার্থী। এরা হলেন- এক নম্বর ওয়ার্ডে এ.কে.এম জাহাঙ্গীর আলম ও মো. আব্দুল্লাহ, ফিরোজ পারভেজ, চার নম্বর ওয়ার্ডে এ.টি.এম নূর হোসেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ শামসুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হাফিজুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বীরেন্দ্র নাথ শর্মা, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে রোকনুজ্জামান সেলিম (তালা প্রতীক) ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রী ভুবন চন্দ্র মহন্ত।

অপরদিকে সাধারণ সদস্য পদে একটি করে ভোট পেয়ে যারা জামানত হারালেন তারা হলেন- ২ নম্বর ওয়ার্ডে নুরুজ্জামান বাবলু, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নব কমুার রায়, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে  আতোয়ার হোনে। আর দুটি করে ভোট পেয়ে জামানত হারালেন যারা তারা হলেন- ২ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল হাকিম ভুট্টু, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মোবাশ্বের রাশেদ্বীন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে রুহুল আমিন, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে সাইফুল ইসলাম, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কামরুজ্জামান ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আজিজুল ইসলাম।

এ ছাড়াও মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেয়ে জামানোত হারিয়েছেন ২ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্দিকুর রহমান লায়ন ও তৈয়ব আলী, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদুজ্জামান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৈয়বুর রহমান ও ফরহাদ আজাদ,  ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল সানোয়ার চৌধুরী।

সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মিনতি রাণী সেন. ২ নম্বর ওয়ার্ডে  আল্পনা রায় ও ভারতী রানী রায় ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নিলুফা ইয়াছমিন জামানত হারিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিলহাজ উদ্দিন ওই ২৮ প্রার্থীর জামানত হারানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুজন,  সংরক্ষিত নারী আসনের ৫টি ওয়ার্ডে ১৭ জন এবং ১৫টি সাধারণ সদস্য পদে ৬৬ জন প্রার্থী প্রতীদ্বন্দ্বিতা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *