ছেলের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জেরে ইউপি চেয়ারম্যানকে অপহরণ
ছেলের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জেরে ইউপি চেয়ারম্যানকে অপহরণ

ছেলের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জেরে ইউপি চেয়ারম্যানকে অপহরণ

বিডি নিউজ ৬৪: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ছেলের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জের ধরে ইউপি চেয়ারম্যানকে অপহরণ করা হয়। তবে ৫ ঘণ্টা পর শর্ত সাপেক্ষে তাকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।

আজ রবিবার দুপুরে ছত্রাজিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হককে ৫০ থেকে ৬০ জন সন্ত্রাসী ইউপি কার্যালয় থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে বিকেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল হক জানান, আমিসহ ইউপি সদস্যরা ইউনিয়ন পরিষদে বসে মিটিং করছিলাম। এমন সময় ৫০ থেকে ৬০ জন যুবক এসে ঘিরে ফেলে এবং আমাকে জোর জবরদস্তি করে একটি মাইক্রোতে তুলে পাশের ইউনিয়নের একটি এলাকায় নিয়ে যায়।

তাঁর(ইউপি চেয়ারম্যান) ছেলে বনি ইস্রাইল জানান, আমার ভাই সোহেল রানা বাবু জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদন্দ্বিতা করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের মোস্তাকুল ইসলাম পিন্টু। কয়েকদিন থেকে মোস্তাকুল ইসলাম পিন্টু ও তার লোকজন আমার ভাইকে প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিয়ে আসলেও তা প্রত্যাহার করেনি সে। রবিবার ছিল প্রত্যাহারের শেষ দিন। সে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না বুঝতে পেরে চাপ দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য আমার আব্বাকে অপহরণ করে।

এ প্রসঙ্গে আরিফ হোসেন জানান, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শর্তে আমার মামাকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় জড়িত কয়েকজনের সাথে আমার কথা হয়। তারা আমাকে বলে মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হলে মুক্তি দেওয়া হবে। আমি চেয়ারম্যানের ছেলে নুরুল ইসলামের সাথে ফোনে কথা বলি এবং রাজী হওয়ার পর আমার মামাকে মুক্তি দিলে তিনি ফিরে আসেন।

আরিফ আরো জানান, পিন্টু ও তার লোকজন অপহরণ ঘটনায় জড়িত।

তবে এ অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাকুল ইসলাম পিন্টু। তিনি আরো জানান, আমি কিছু জানি না এবং কারা জড়িত তাও আমার জানা নেই। আমি ছিলাম এমপির বাড়িতে।

চেয়ারম্যান শামসুল হক আরো জানান, আমার ছেলের মনোনয়ন প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করেই আমার ওপর এমন করা হয়। এরা কারা তা তিনি চিনেন না বলে জানান।

এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি  (তদন্ত ) সরোয়ার হোসেন জানান, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বাদী হতে পারেন ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল হক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *