বিডি নিউজ ৬৪: নারী নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার গভির রাতে চেয়ারম্যান মনিরুলকে তাঁর দুই সহযোগী চৌকিদার ইসলাম ও জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদ শেখ জানান, তিনজনকে সাতক্ষীরা সদর থানাহাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ রোববার তাঁদের আদালতে তোলা হবে। এ ছাড়া চেয়ারম্যানের নির্যাতন ও প্ররোচনায় আত্মহত্যাকারী নারী আফরোজা খাতুনের (১৬) লাশের ময়নাতদন্ত একই দিনে সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।ওসি জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। আফরোজার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়। আফরোজার ভাই ইব্রাহীম খলিল কলারোয়া থানায় একটি মামলা করেন। এই মামলায় তিনি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামকে তাঁর বোনের ওপর নির্যাতনকারী এবং তাঁর আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী বলে উল্লেখ করেন। এ মামলায় আরো আসামি করেন হাফিজ, হাসান, চৌকিদার ইসলাম ও জয়কে। ওসি জানান, রাতেই মনিরুলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মনিরুল সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
সোনাবাড়িয়া গ্রামের আফরোজা খাতুনের পরিবারের সদস্যরা জানান, আফরোজা খাতুন নিজ বাড়িতে দর্জির কাজ করতেন। গত শুক্রবার দুপুরে কাজের ফাঁকে বাড়ির পাশে সোনাবাড়িয়ায় হাসানের দোকানে যান মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে। তাঁরা জানান, এ সময় পলাশ নামের এক যুবক আসে হাসানের কাছে তার পাওনা টাকা নিতে। এ সময় পলাশ ও আফরোজাকে একটি ঘরে ঢুকিয়ে দেয় হাসান ও তার বন্ধু হাফিজ। এ সময় বাইরে থেকে দরজা আটকে দেয় তারা। পরে চিৎকার দিয়ে লোক জড়ো করা হয়। পরিবারের সদস্যরা আরো জানান, বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামকে টেলিফোনে জানানো হয়। চেয়ারম্যান পলাশ ও আফরোজাকে ধরে আনতে বলেন। হাসান ও হাফিজ দুজনকে বেঁধে নিয়ে যায় ইউনিয়ন পরিষদে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল