বিডি নিউজ ৬৪: অনেকে সঠিক খাবার ও পর্যাপ্ত শারীরিক অনুশীলনের পরও দেহের ওজন কমাতে পারে না। এ ক্ষেত্রে তাদের দেহে হরমোনজনিত কোনো সমস্যা আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে কর্টিসল নামের হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে এমন সমস্যা হতে পারে। অনেকেরই দেহের কর্টিসলের মাত্রা বেশি হয়ে যেতে পারে। আর এ কারণে দেহের ওজন সঠিকভাবে বজায় থাকে না।
কর্টিসল হরমোনের উচ্চমাত্রার লক্ষণ
– মুড দ্রুত পরিবর্তিত হওয়া
—রাগ, উদ্বেগ, বিষণ্নতা দ্রুত আসা-যাওয়া,
– স্থায়ী ক্লান্তি ভাব,
– মাথাব্যথা,
– হৃত্স্পন্দন বৃদ্ধি বা হাইপারটেনশন,
– নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই খুব কম বা অতিরিক্ত ক্ষুধা,
– হজমে সমস্যা,
– ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ, কোষ্ঠবদ্ধতা ও ডায়রিয়া,
– ঘুমের সমস্যা,
– ভুলে যাওয়া,
– রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া,
– মুখের চুল ও বলিরেখা বৃদ্ধি,
– মুখ ফুলে যাওয়া, ঘাড়ে চর্বি জমা।
যেভাবে কমাবেন কর্টিসল
১. যা খাবেন না : আপনার খাবার তালিকা থেকে ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, উচ্চমাত্রায় চিনি, কৃত্রিম চিনি ও অতিরিক্ত পটাসিয়াম বাদ দিন।
২. যেসব খাবার খাবেন : মাছ ও ভালো মানের প্রোটিন খান। এ তালিকায় আরো থাকতে পারে মুরগি, ডিম, বাদামি চালের ভাত, মিষ্টি কুমড়া, কলমিদল, শালুক, সয়া, তেলবীজ, খেজুর, সিম, দানাদার খাবার, দুধ ইত্যাদি।
৩. নির্দিষ্ট সময়ে খান : প্রতিদিন পাঁচবার করে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খান। এ ক্ষেত্রে কোনো বেলার খাবার বাদ দেওয়া ঠিক হবে না।
৪. শারীরিক অনুশীলন : প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে তিনবার শারীরিক অনুশীলন করুন। এ ক্ষেত্রে সময়টি হতে হবে ৫০ মিনিটের কম। অতিরিক্ত অনুশীলনও করা যাবে না।
৫. ভালো ঘুম : এ সমস্যায় প্রতিদিন আট থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
৬. বিশ্রাম করুন : বাড়তি পরিশ্রম করা যাবে না। দেহ যেন আরামে থাকে সে জন্য ব্যবস্থা নিন।
৭. উদ্যম বাড়ানোর পানীয় নয় : বাড়তি উদ্যমের জন্য কোনো ধরনের পানীয় পান করবেন না। এমনকি এনার্জি ড্রিংকস ও চা-কফিও পান করবেন না।
সব চেষ্টার পরেও দেহের ওজন যদি না কমে তাহলে কি করবেন...
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল