বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিগ্রস্তদের মানববন্ধন
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিগ্রস্তদের মানববন্ধন

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিগ্রস্তদের মানববন্ধন

বিডি নিউজ ৬৪: বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির বিরূপ প্রভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাত গ্রামের বাসিন্দারা  আট দফা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। আজ সোমবার বড়পুকুরিয়া বাজার এলাকার প্রধান সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এ মানববন্ধনে প্রায় পাঁচ সহস্রাধিক লোকের সমাগম ঘটে। এতে অংশ নেয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অধিগ্রহণকৃত এলাকাসংলগ্ন বাঁশপুকুর, বৈদ্যনাথপুর, শিবকৃষ্ণপুর, পাতিগ্রাম, বৈগ্রাম, কাশিয়াডাঙ্গা এবং কালুপাড়ার নারী, শিশুসহ সব বয়স ও পেশার মানুষ।

মানববন্ধন চলাকালে সংগঠনের আহ্বায়ক মো. মশিয়ুর রহমান বুলবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব লিয়াকত আলী, আব্দুল গনি, অধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাদের, বেলাল হোসেন, সাইদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন। এ ছাড়া বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, বড়পুকুরিয়ার অধিবাসী ও জাতীয় পার্টি নেতা মো. সোলায়মান সামি প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, “আমরা বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অধিগ্রহণকৃত এলাকার পার্শ্ববর্তী সাত গ্রামের অধিবাসী। কয়লা খনির অভ্যন্তরে মাইনিং বিস্ফোরণকালে এসব গ্রামের ঘরবাড়িতে প্রতিনিয়ত ভূ-কম্পন হয়। খনিতে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে গ্রামগুলোর টিউবওয়েলে পানি পাওয়া যায় না। বড়পুকুরিয়া বাজার থেকে খয়েপুকুরহাট পর্যন্ত মূল সড়কটি দেবে গেলেও খনি কর্তৃপক্ষ এটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি।”

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর বেকার যুবকদের চাকরি প্রদানের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি এবং কয়লা খনি থেকে প্রফিট বোনাসের নামে প্রতি বছর ২০ কোটিরও অধিক টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। বক্তারা অবিলম্বে তাদের আট দফা দাবি বাস্তবায়নের কথা বলেন। অন্যথায় পরবর্তীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তাঁরা। পরে নেতৃবৃন্দ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *