ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্প বিষয়ে মন্তব্য করবেন ওবামা
ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্প বিষয়ে মন্তব্য করবেন ওবামা

ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্প বিষয়ে মন্তব্য করবেন ওবামা

বিডি নিউজ ৬৪: দুই মেয়াদে আট বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বারাক ওবামা। ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরসূরি নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে তখন প্রয়োজনে ট্রাম্পকে নিয়ে মুখ খুলবেন ওবামা। রবিবার পেরুর রাজধানী লিমায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন ইঙ্গিত দেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওবামা বলেন, হোয়াইট হাউস ত্যাগের পর তিনি যদি মনে করেন তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকান মূল্যবোধের ওপর হুমকি সৃষ্টি করছেন তাহলে তিনি মুখ খুলতে পারেন।
পেরুর রাজধানী লিমায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার (অ্যাপেক) সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন বারাক ওবামা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটাই তার শেষ বিদেশ সফর। সফরে ওবামা  বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে এখনই নেতিবাচক কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছা উচিত হবে না। তাকে আরেকটু সময় দেওয়া উচিত।
এর আগে গত শনিবার লিমায় তরুণদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যে উদ্বেগ বিরাজ করছে তা নিয়ে কথা বলেন ওবামা। তার ভাষায়, ‘আপনাদের জন্য আমার বার্তা… এবং ইউরোপে আমি যে বার্তা দিয়ে এসেছি তার সারমর্ম হচ্ছে, এখনই সবচেয়ে খারাপ কিছু ভেবে নেওয়ার দরকার নেই। আগে সরকার গঠন করতে দিন। তাদের নীতিমালাগুলো তৈরির সুযোগ দিন। তারপর আপনি মূল্যায়ন করতে পারবেন।’
বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য কল্যাণকর অগ্রগতির সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, নাকি অন্য পথে হাঁটছেন, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সময় লাগবে। কারণ নির্বাচনি প্রচারণা যেভাবে চালানো হয়, সরকার পরিচালনা সেভাবে হয় না। তাই আমি আবারও বলব, নির্বাচিত নতুন প্রেসিডেন্টকে সময় দিন।
এক প্রশ্নের জবাবে ওবামা বলেন, ‘গণতন্ত্র নির্বাচনের চেয়েও বেশি কিছু। এটা কখনও কখনও হতাশাজনক হতে পারে। কারণ এতে আপনি যা চান, তা শতভাগ পাবেন না।’
এর আগে বৃহস্পতিবার বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পকে দায়িত্ববান হওয়ার পরামর্শ দেন ওবামা। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দীর্ঘদিন টিকে থাকতে হলে ট্রাম্পকে দায়িত্ববান হতে হবে। আর এ দায়িত্ব বা ভূমিকাই তাকে ‘যোগ্য’ প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রমাণ করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *