রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ ৩ গৃহকর্মীর মধ্যে একজনের মৃত্যু
রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ ৩ গৃহকর্মীর মধ্যে একজনের মৃত্যু

রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ ৩ গৃহকর্মীর মধ্যে একজনের মৃত্যু

বিডি নিউজ ৬৪: রাজধানীর গুলশানের একটি বাসার রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজে অগ্নিদগ্ধ ৩ গৃহকর্মীর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার গভির রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারমিন ওরফে শরিফা (১৮) নামে ওই গৃহকর্মী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল জানান, শরিফার দেহের প্রায় ১০০ শতাংশই আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। শরিফা নরসিংদী জেলার মাধবদী উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের ফেরদৌস মিয়ার মেয়ে। গত দুই মাস আগে শরিফা ওই বাসায় গৃহকর্মী হিসাবে কাজে যোগদান করেছিল। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই বাচ্চু মিয়া জানান, শরিফার লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশান ২-এ ৭৩ নম্বর রোডের ২ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলার রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন লাগলে তিন গৃহকর্মী দগ্ধ হয়। দগ্ধরা হলেন-পারভিন আক্তার (৩৫), শারমিন ওরফে শরিফা (১৮) এবং বেদনা (২০)। এদের মধ্যে শরিফার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে অগ্নিদগ্ধ অপর দুই গৃহকর্মীর অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন ডা. পার্থ শংকর পাল। তিনি জানান, পারভিন আক্তারের (৩৫) দেহের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। কিন্তু তার শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ায় তার অবস্থা ভালো নয়। এছাড়া বেদনার (২০) দেহের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

ঘটনার বিষয়ে ওই বাসার কেয়ার টেকার রুবেল মিয়া সোমবার জানিয়েছিলেন, নাভানা টাওয়ারের ১৩তলা ভবনের ২য় তলার সায়েম টেক্সটাইলের এমডি আব্দুর সাদ্দারের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা ওই বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। যখন আগুন লাগে তখন গৃহকর্মীরা ঘুমিয়ে ছিলেন। দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাদের ইউনাইটেড হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। গুলশান থানার ওসি (তদন্ত) সালাউদ্দিন মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই বাসার গ্যাস লিকেজ থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে দগ্ধরা নিজেই আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সক্ষম হন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *