বিডি নিউজ ৬৪: শেরপুরে আজ শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো তাবলিগ জামাতের তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শহরের উপকণ্ঠে মৃগী নদীর তীরে অনুষ্ঠিত ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে শরিক হন প্রায় তিন লক্ষাধিক মুসল্লি। আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইল মার্কাজের শুরার জিম্মাদার মাওলানা ওফর ফারুক। মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-সমৃদ্ধি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
এর আগে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইমান, আমল ও হেদায়েতের ওপর বিশেষ বয়ান করেন কাকরাইল মার্কাজের তাবলিগ মুরুব্বি মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মো. আব্দুল্লাহ। এ সময় বয়ান মঞ্চে একটি যৌতুকবিহীন বিয়েও পড়ানো হয়।
আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে আজ শনিবার ভোর থেকেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের ঢল নামে। মোনাজাতে অংশ নিতে আসা মানুষ ময়দানে জায়গা না পেয়ে আশপাশের বাটারাঘাটা, অষ্টমী তলা সড়ক, পৌর কবরস্থান এবং আশপাশের মাঠে-ক্ষেতে যে যেখানে জায়গা পেয়েছেন, সেখানে বসেই মোনাজাতে শরিক হন।
ইজতেমা ময়দানের প্রায় এক বর্গকিলোমটিার এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। আশপাশের বাসাবাড়িতে অবস্থান নিয়ে বিপুলসংখ্যক মহিলাও মোনাজাতে অংশ নেন। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয় এবং ১২টা ১৪ মিনিটে শেষ হয়।
শেরপুর তাবলিগের আহলে শুরার সাথী নূর মোহাম্মদ জানান, ইজতেমা থেকে ৬৭টি চিল্লার জামাত (৪০ দিনের জামাত) আল্লার রাস্তায় বের হচ্ছে। শেরপুরের এ ইজতেমায় ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়ার তিনটি বিদেশি জামাত সহ ২৭৩টি দাওয়াতি জামাত অংশগ্রহণ করে।
তিনি আরো জানান, তাবলিগের কাকরাইল মার্কাজের মুরুব্বিদের সিদ্ধান্ত অনুসারে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় শেরপুরসহ দেশের ৩২টি জেলায় পর্যায়ক্রমে এভাবে জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩২ জেলা করে একেকবার এ জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাদ জোহর আমবয়ানের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছিল এই ইজতেমা।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল