ভারতীয় দূতাবাস দাউদ মার্চেন্টের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে
ভারতীয় দূতাবাস দাউদ মার্চেন্টের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে

ভারতীয় দূতাবাস দাউদ মার্চেন্টের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে

বিডি নিউজ ৬৪: আন্ডারওয়ার্ল্ডের বস খ্যাত দাউদ ইব্রাহীমের সহযোগী আব্দুর রউফ ওরফে দাউদ মার্চেন্টকে কিভাবে দেশে ফেরত পাঠানো যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় দূতাবাস। এখানে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, দুটি মামলায় সাজা ভোগ শেষে আদালতের নির্দেশেই দাউদ মার্চেন্টকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আদালতের নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সে যদি এই দেশে থাকতে চায়, তাহলে তাকে ভিসা নিয়ে থাকতে হবে। তা না হলে তাকে চলে যেতে হবে। তিনি কিভাবে চলে যাবেন, তা ভারতীয় দূতাবাস সিদ্ধান্ত নেবে। তাকে পুশব্যাক করা হবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাকে পুশব্যাক করার দরকার নেই। যা করার ভারতীয় দূতাবাস করবে। দাউদ মার্চেন্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে আছেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, না, বাদ বাকিটা ভারতীয় দূতাবাস করবে।

এর আগে, রবিবার সন্ধ্যায় আবদুর রউফ ওরফে দাউদ মার্চেন্টকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল ইকবাল হাসান। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা ছিল। এ মামলায় তার সাজার মেয়াদও শেষ হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি কোথায় গেছেন তা আমাদের জানা নেই।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৭ মে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলায় তার ৫ বছরের সাজা হয়। ২০১৪ সালের নভেম্বরে তার সাজার মেয়াদ শেষ হয়। এরপর ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার পরই তাকে জেলগেট থেকে আবার ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ভারতীয় শীর্ষ প্রযোজনা সংস্থা টি-সিরিজের কর্ণধার গুলশান কুমার হত্যা মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি। ১৯৯৭ সালের ১২ আগস্ট মুম্বাইয়ে গুলি করে গুলশানকে হত্যা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *