বিডি নিউজ ৬৪: ঘরে তৈরি ঘির রয়েছে নিজস্ব স্বাদ ও গঠন। এটা জানা বিষয় যে ঘির রয়েছে প্রচুর উপকারিতা। তবে ঘরে বসে ঘি বানানো অতটা কঠিন নয় যতটা ভাবা হয়। এখানে রইল ঘরে ঘি বাননোর প্রক্রিয়াকে আরো সহজ করার কয়েকটি টিপস।
ক্রীম তৈরি করুন: একটি নিরাপদ কন্টেইনারে প্রতিদিন ক্রীম সংরক্ষণ করুন। হয় উচ্চ মান সম্পন্ন প্লাস্টিক বা একটি স্টিল কন্টেইনারে। আপনার সেদ্ধ করার দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার পর ক্রীমের একটি স্তর গঠিত হয়। ক্রীমের এই স্তরটি সংগ্রহ করে একটি কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন। এরপর তা ফ্রিজে রেখে দিন।
এভাবে তিন থেকে চারদিন দুধ সেদ্ধ করার পর তৈরি হওয়া ক্রীমের স্তর দিয়ে কন্টেইনারটি ভরতে থাকুন। এরপর যখন আপনার মনে হবে, ঘি তৈরির জন্য যথেষ্ট পরিমাণ ক্রীম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে তখন ঘি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করুন।
পদ্ধতি:
– ফ্রিজ থেকে ক্রীম নামিয়ে আরো বড় একটি কড়াইয়ে রাখুন। এরপর এক থেকে দুই ঘন্টা ধরে ক্রীমগুলোকে গলতে দিন।
– এরপর হালকা আগুনে ঘাঁটাঘাটি করে ক্রীগুলোকে আরো ভালো মতো গলতে সহায়তা করুন। ঘি তৈরিতে কতক্ষণ সময় লাগবে তা নির্ভর করছে ক্রীমের পরিমাণের ওপর। এভাবে ঘি ক্রীমের গাদ থেকে আলাদা হয়ে কড়াইর তলায় জমা হতে থাকবে।
– এরপর কড়াইটি ঠাণ্ডা করে ঘিটুকু ছেঁকে নিয়ে কন্টেইনারে স্থানান্তর করুন। ঘি ছাঁকার পর যে ক্রীমের গাদ অবশিষ্ট থাকবে তা ফেলে দিন।
– ঐতিহ্যগতভাবে সাধারণত সেন্ট্রিফিউজ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে আরো বেশি পরিমাণ ঘি উৎপাদন করা যায়। তবে, যেহেতু এতে প্রচুর পরিমাণ সময় লাগে সেহেতু সরাসরি ক্রীম থেকেই ঘি উৎপাদন করাটাই ভালো। এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে অল্প সময়েই যথেষ্ট পরিমাণ ঘি উৎপাদন সম্ভব।
ক্রীম তৈরি করুন: একটি নিরাপদ কন্টেইনারে প্রতিদিন ক্রীম সংরক্ষণ করুন। হয় উচ্চ মান সম্পন্ন প্লাস্টিক বা একটি স্টিল কন্টেইনারে। আপনার সেদ্ধ করার দুধ ঠাণ্ডা হওয়ার পর ক্রীমের একটি স্তর গঠিত হয়। ক্রীমের এই স্তরটি সংগ্রহ করে একটি কন্টেইনারে সংরক্ষণ করুন। এরপর তা ফ্রিজে রেখে দিন।
এভাবে তিন থেকে চারদিন দুধ সেদ্ধ করার পর তৈরি হওয়া ক্রীমের স্তর দিয়ে কন্টেইনারটি ভরতে থাকুন। এরপর যখন আপনার মনে হবে, ঘি তৈরির জন্য যথেষ্ট পরিমাণ ক্রীম সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে তখন ঘি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করুন।
পদ্ধতি:
– ফ্রিজ থেকে ক্রীম নামিয়ে আরো বড় একটি কড়াইয়ে রাখুন। এরপর এক থেকে দুই ঘন্টা ধরে ক্রীমগুলোকে গলতে দিন।
– এরপর হালকা আগুনে ঘাঁটাঘাটি করে ক্রীগুলোকে আরো ভালো মতো গলতে সহায়তা করুন। ঘি তৈরিতে কতক্ষণ সময় লাগবে তা নির্ভর করছে ক্রীমের পরিমাণের ওপর। এভাবে ঘি ক্রীমের গাদ থেকে আলাদা হয়ে কড়াইর তলায় জমা হতে থাকবে।
– এরপর কড়াইটি ঠাণ্ডা করে ঘিটুকু ছেঁকে নিয়ে কন্টেইনারে স্থানান্তর করুন। ঘি ছাঁকার পর যে ক্রীমের গাদ অবশিষ্ট থাকবে তা ফেলে দিন।
– ঐতিহ্যগতভাবে সাধারণত সেন্ট্রিফিউজ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে আরো বেশি পরিমাণ ঘি উৎপাদন করা যায়। তবে, যেহেতু এতে প্রচুর পরিমাণ সময় লাগে সেহেতু সরাসরি ক্রীম থেকেই ঘি উৎপাদন করাটাই ভালো। এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে অল্প সময়েই যথেষ্ট পরিমাণ ঘি উৎপাদন সম্ভব।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল