বিডি নিউজ ৬৪: “একই জমিতে বারবার ফসল চাষ করায় মাটির ওপর চাপ পড়ছে। ফলে মাটিতে বিভিন্ন অজৈব উপাদানের পাশাপাশি ব্যাপকহারে জৈব পদার্থের ঘাটতি হচ্ছে। এতে মাটির উর্বর শক্তি দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ জন্য কৃষি জমিতে বেশি করে জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিষমুক্ত ও অধিক ফসল ফলাতে জৈব সারের বিকল্প নেই।”
শেরপুরের নকলায় কৃষিজমিতে জৈবসারের ব্যবহার সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। আজ মঙ্গলবার নকলা বিআরডিবি মিলনায়তনে স্থানীয় চাষি, খুচরা সার ও কীটনাশক বিক্রেতা এবং মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে জৈব সার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘মাজিম অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লি.’ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এতে কম্পানির পরামর্শক কৃষিবিদ শরিফুর রহমান প্রধান অতিথি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শেখ মোগলজান রহমান মিঠু বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন সার ডিলার জয়নুল আবেদীন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, আদর্শ কৃষক আব্দুল মন্নাফ খান, রোকন কুমার সরকার প্রমুখ। ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ সোহেল তালুকদারের অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। তিনি বলেন, “দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনা এবং বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনে জৈব সারের বিকল্প নেই। মাজিম অ্যাগ্রো উৎপাদিত ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত ‘মাজিম জৈব সার’ অনুর্বর মাটিকে উর্বর করে এবং মাটির উর্বরা শক্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়তা করে। পাশপাশি ফসলের ফলন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে।” আতিকুর রহমান বলেন, “এ সার বীজ বপন বা চারা রোপণের আগে জমিতে ছিটিয়ে প্রয়োগ করা যায়। তাছাড়া ফসলের শারীরিক বৃদ্ধির সময় ম্যাগনেসিয়াম ও সালফারের অভাব দেখা দিলে উপরি প্রয়োগ হিসেবে স্প্রে মেশিনের সাহায্যে গাছ ভিজিয়েও দেওয়া যায়। সঠিক মাত্রায় প্রয়োগে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং পরিবেশের ওপর এর কোন বিরূপ প্রভাব পড়ে না।”
মতবিনিময় সভায় নকলার বিভিন্ন কৃষি বস্নকের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা, সার ব্যবসায়ীসহ শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন। পরে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মাঝে মাজিম কম্পানির এক কেজি করে জৈব সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল