বিডি নিউজ ৬৪: ধরুন কোনো প্রতিষ্ঠানে আপনি চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেছেন। সেখানে বেতন কত হবে সে সম্পর্কে আলোচনা হতেই পারে। আর সে আলোচনায় কিছু কথা এড়িয়ে চলতে হবে। এগুলো হলো—
১. আমি রাজি
নিয়োগকারীরা আপনাকে প্রথম যে বেতনের কথা বলবেন, তাতেই রাজি হওয়ার প্রয়োজন নেই। আরেকটু অপেক্ষা করে দেখুন, তাদের এর চেয়ে কোনো ভালো সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে কি না।
২. আমি চাচ্ছি…
প্রথমেই আপনি যদি বড় অঙ্কের বেতন চেয়ে বসেন তাহলে তা তাদের নিরুৎসাহিত করবে। আর তাই আগে তাদের কিছু বলার সুযোগ দিন। এতে আপনি তাদের বেতন সম্পর্কে ধারণা পাবেন।
৩. মাত্র এত টাকা…
আপনাকে যে অঙ্কের অর্থই তারা প্রস্তাব করুক না কেন, তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা যাবে না। এটা আপনার বাজে আচরণ প্রকাশ করবে। তাদের প্রতি সম্মান রেখেই কথা বলতে হবে।
৪. আমার আরো অফার আছে
আপনার যদি ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ বেতনে চাকরির অফার থাকে তাহলে তা নিয়ে নেওয়াই ভালো। এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।
৫. না
এক কথায় আপনি যদি না করে দেন তাহলে তা যথেষ্ট ভদ্রতা প্রকাশ করে না। এ কারণে কিছুটা নমনীয়তা প্রকাশ করা প্রয়োজন।
৬. ওমুকে পাচ্ছে…
প্রতিষ্ঠানের অন্য কেউ কত টাকা পাচ্ছে তা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। এটি অন্যের সঙ্গে তুলনা নিয়ে আসবে, যা আদতে ভালো নয়।
৭. আমার মনে হয়…
ইন্টারভিউতে আপনি যে আলোচনাই করেন না কেন, অনুমাননির্ভর কোনো বিষয় উপস্থাপন করা মোটেই উচিত নয়। কারণ এখানে সবার সময়েরই দাম আছে।
৮. চাকরি ত্যাগের হুমকি
প্রতিষ্ঠানে আপনি যদি বলেন, এখন এই বেতনে প্রবেশ করলেও দ্রুত তা না বাড়লে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করবেন, তাহলে তা যথেষ্ট হুমকি হয়ে যায়। আর এটি আপনার ইন্টারভিউ অসফল করতে পারে।
৯. আমি জানি না…
প্রতিষ্ঠানে কত বেতন চান এ প্রশ্নে কখনোই এমন কথা বলবেন না। এটি আপনার দুর্বলতা প্রকাশ করবে। তাই সঠিকভাবে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী বেতনের জন্য আলোচনা করুন।
ইন্টারভিউতে বেতন আলোচনায় যে ৯ কথা ভুলেও বলবেন না
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল