বিডি নিউজ ৬৪: কর্মীদেরকে দীর্ঘদিন ধরে রাখতে চাইলে তাদেরকে সহকর্মীদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করার সুযোগ তৈরি করে দিন। নতুন এক গবেষণার পর এমনটাই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান গবেষক ক্যাইটলিন পোর্টার বলেন, “আগে বন্ধুত্বের বড় উৎস ছিল কর্মক্ষেত্র। কিন্তু এখন এতে পতন ঘটছে। আর এ কারণেই কোনো কর্মী এখন একই কর্মক্ষেত্রে বেশিদিন কাজ করতে পারেন না। সুতরাং লোককে কর্মক্ষেত্রে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ দিলে তাদেরকে একই কর্মক্ষেত্রে বেশিদিন ধরে রাখাও সম্ভব হবে।”
গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কিংয়ের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হয়- আভ্যন্তরীণ বনাম বহির্মুখী। এর উদ্দেশ্য ছিল কোন ধরনের নেটওয়ার্কিংয়ে অভ্যস্তরা মাত্র দুই বছরের মধ্যেই কম্পানিটি ছেড়ে চেলে যাবে তা নির্ণয় করা। এছাড়া চাকরিতে সন্তুষ্টি, কাজে সংযুক্তি, অনুভূত কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং প্রকৃত চাকরির প্রস্তাব এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হয়।
আভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কিং বলতে বুঝানো হয়েছে, পরস্পরের সঙ্গে পেশা সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ গড়ে তোলা। পরস্পরের কাজে লাগতে পারে এমন কিছু জিনিস বিনিময় করা। যেমন কীভাবে ভালো পারফর্ম করা সম্ভব সে সম্পর্কিত পরামর্শ।
বহির্মুখি নেটওয়ার্কিং বলতে বুঝায় পেশাসংশ্লিষ্ট কোনো গ্রুপ বা সংঘের সাথে সম্পর্ক রাখা।
আভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কিং হতে পারে যে কোনো সময়ই। এমনকি কোনো বৈঠকের আগে কফি খেতে খেতেও তা হতে পারে।
আভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কিংয়ের ফলে কর্মসন্তুষ্টি ও সংশ্লিষ্টতা বাড়ে। এর ফলে কোনো কর্মীর একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন কাজ করার সম্ভাবনাও বাড়ে।
অন্যদিকে, বহির্মুখী নেটওয়ার্কিংয়ের ফলে স্বেচ্ছাসেবামূলক শ্রম দানের সম্ভাবনা বাড়ে। কারণ বহির্মুখী নেটওয়ার্কিং থেকে কোনো কর্মী নিজের প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন কোনো ধারণা অর্জন করে নিয়ে আসতে পারেন।
জার্নাল পারসোনেল সাইকোলজির চলতি সংস্করণে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।
কর্মীদের দীর্ঘদিন ধরে রাখতে চাইলে সহকর্মীদের সাথে নেটওয়ার্কিং করতে দিন
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল