বিডি নিউজ ৬৪: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম লাঞ্চিতের অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ ও উপ-পরিদর্শক(এসআই) রায়হান আলীর অপসারণ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার বিকেলে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ। দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে সেখানে এক সমাবেশে বক্তৃতা দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. এসরারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি মো. আবু সাইয়েদ সাবুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজল কুমার ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক নোহেল রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ রহমান, নাঈম ইসলাম জীবন, কিশোরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পতিরাম রায়, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী শাহ্, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ফণিভূষণ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক বিপুল চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বারি পাইলট, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম বাবু।
বক্তারা অবিলম্বে পুলিশের ওই দুই কর্মকর্তার অপসারণ দাবি করে বলেন, অন্যথায় কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিমারী পূজা মণ্ডপে অকারণে ছাত্রলীগকর্মী বাবলা মিয়াকে মারধর করে পুলিশ। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম ওই মারধরের ঘটনার কারণ জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশীদ বাবলাকেসহ তাকে (সাধারণ সম্পাদক ডালিমকে) থানায় যেতে বলেন। রাত সাড়ে ১২টার ওই দুইজন থানায় গেলে ওসি এবং উপ-পরিদর্শক রায়হান আলী তাদেরকে আধা ঘণ্টা আটকিয়ে ডালিমের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে রাত ১টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদেরকে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ওই দুই কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে উপজেলা ছাত্রলীগ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
এদিকে এ অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ বলেন, গত সোমবার সন্ধ্যায় নেশাগ্রস্ত কিছু ছেলে পূজা মণ্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সেখানেই বিষয়টি মিমাংসা হয়। এর পর ওই রাতে ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী থানার সামনে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু করেন। আমি সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি হালিম ও সাধারণ সম্পাদক ডালিমের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু অন্যরা তাতে রাজি না হয়ে ওই দুইজনকে সঙ্গে করে থানা চত্বর থেকে বেরিয়ে যান তারা। থানায় কাউকে কোনোভাবে লাঞ্চিত করা হয়নি।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল