বিডি নিউজ ৬৪: টানা বর্ষণ থেমেছিল সকাল সোয়া ১১টার দিকে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সরানো হয়েছিল আউটফিল্ডের কাভার। খেলা শুরু নিয়ে সম্ভাবনা যখন বাড়ছে, তখনই আবার নামল বৃষ্টি। দুপুর পৌনে একটার দিকে আবার মাঠ ঢেকে দেওয়া হলো কাভারে। যথাসময়ে খেলা শুরুর সম্ভাবনা এখন নেই বললেই চলে। চট্টগ্রামের এই মাঠের ড্রেনেজ অবশ্য দারুণ। যত বর্ষণই হোক, বৃষ্টি থামলে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টার মধ্যে শুরু করা সম্ভব খেলা। কিন্তু বৃষ্টি থামতে তো হবে! সোম ও মঙ্গলবার টানা বৃষ্টির পর চট্টগ্রামের বুধবার সকালটাও বৃষ্টিস্নাত। কখনও গুড়ি-গুড়ি, কখনও আরেকটু বেশি, টানা চলেছে বৃষ্টি।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটিকে ঘিরে উত্তেজনার কমতি নেই। দুই দলই জিতেছে একটি করে, বাংলাদেশের সামনে টানা সাত সিরিজ জয়ের হাতছানি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও এরপরে বিতর্কে বাতাসে ছিল বারুদের গন্ধ। সব কিছুই ভেসে যাওয়ার জোগাড় শেষ আশ্বিনের টানা বর্ষণে। সোম ও মঙ্গলবারও পিচ কাভার সরানো যায়নি একবারের জন্যও। বুধবার মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির কথা জানানো হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
এই সিরিজে রাখা হয়নি কোনো রিজার্ভ ডে। শেষ ম্যাচের আগে আবহাওয়ার অবস্থা দেখে রিজার্ভ ডে রাখার জন্য ইসিবির কাছে বিশেষভাবে প্রস্তাব দিয়েছিল বিসিবি। কিন্তু ইসিবি রাজি হয়নি তাতে। সিরিজ শুরুর আগে এমওইউতে (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) ছিল না রিজার্ভ ডে। এছাড়া বৃহস্পতিবারই দেশের পথে রওনা হওয়ার কথা ইংল্যান্ডের ওয়ানডে দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারের। জমজমাট সিরিজটি তাই হতাশাময় শেষের শঙ্কায়।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল