'এতটা বিদ্বেষ আগে কেউ কখনো দেখেনি'
'এতটা বিদ্বেষ আগে কেউ কখনো দেখেনি'

‘এতটা বিদ্বেষ আগে কেউ কখনো দেখেনি’

বিডি নিউজ ৬৪: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে এতটা বিদ্বেষপূর্ণ টেলিভিশন বিতর্ক অনেকেই এর আগে কখনও দেখেননি। ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এবং রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পরস্পরের প্রতি যেভাবে ব্যক্তিগত বিদ্বেষপূর্ণ এবং আক্রমণাত্নক ভাষা ব্যবহার করেছেন, সেটি অনেকটা নজিরবিহীন।

হিলারি ক্লিনটন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প এর মধ্যকার বিতর্ক যে খুব একটি আন্তরিক পরিবেশে হবে না সেটি প্রথম থেকেই আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল। বিতর্কের শুরুতে কেউ কারো সাথে হাত মেলাননি। এ বিষয়টি অনেকের কাছেই দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে। যদি বিতর্কের শেষে তারা হাত মিলিয়েছেন। মাঝে মধ্যেই বিতর্কের ভাষা বিদ্বেষপূর্ণ হয়ে উঠছিল। হিলারি ক্লিনটনকে বেশ কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এমনকি হিলারি ক্লিনটনের স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের যৌন কেলেঙ্কারি এবং হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ই-মেইল নিয়ে আক্রমণাত্নক হয়ে ওঠেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, হিলারি ক্লিনটনের স্বামী বিল ক্লিনটনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেসব নারী জড়িত ছিল তাদের সম্পর্কে হিলারি ক্লিনটন যেভাবে আক্রমণ করেছেন, তখন ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকলে হিলারি ক্লিনটন কারাগারে থাকতেন।

জবাবে হিলারি ক্লিনটনও জোরালো ভাষায় উত্তর দেন। সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প নারীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, সেটি উল্লেখ করে হিলারি ক্লিনটন বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হবার যোগ্য নয়।

হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, নারীদের সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যেসব মন্তব্য ফাঁস হয়েছে সেগুলো প্রমাণ করে মি. ট্রাম্প কেমন ব্যক্তি। পুরো বিতর্ক এতটাই আক্রমণাত্নক এবং পরস্পরের প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ ছিল যে, শেষ পর্যন্ত একজন দর্শক দুজন প্রার্থীকে পরস্পরের ভালো দিক কী আছে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। তখন ট্রাম্প বলেন, তিনি (হিলারি ক্লিনটন) কখনও হাল ছাড়েন না। তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তিনি বেশ লড়াকু একজন ব্যক্তি। হিলারি ক্লিনটন বলেন তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সন্তানদের পছন্দ করেন। হিলারি ক্লিনটন বলেন, সে যা কিছু করে, আমি তার প্রায় সবগুলোর সাথেই একমত না। কিন্তু তার সন্তানরা অসাধারণ। প্রায় দেড় ঘণ্টার এ বিতর্কে উভয় প্রার্থী প্রায় ৪০ মিনিট করে সময় পেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *