“অর্থ কাউকে সুখ কিনে দিতে পারে না, তবে স্বাধীনতা এনে দেয়”
“অর্থ কাউকে সুখ কিনে দিতে পারে না, তবে স্বাধীনতা এনে দেয়”

“অর্থ কাউকে সুখ কিনে দিতে পারে না, তবে স্বাধীনতা এনে দেয়”

বিডি নিউজ ৬৪: কথাটি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আত্মনির্মিত মিলিনিয়র জিলিয়ান মাইকেল। তিনি সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মনোযোগ লাভ করেন এনবিসি টিভিতে ওজন কমানোর প্রতিযোগিতা শো “দ্য বিগেস্ট লুজার” এর মাধ্যমে।
সেখান থেকে মাইকেল নিজের ব্র্যান্ড ব্যবহার করে শরীর চর্চা বিষয়ক ডিভিডি প্রকাশ, লেখালেখি, এবং ক্রেভ জার্কি ও পপচিপস এর মতো স্বাস্থ্যবিষয়ক কম্পানির সঙ্গে অংশীদারিত্ব স্থাপন করে বিশাল ব্যবসায় সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। আজ এই আত্মনির্মিত মিলিয়নিয়র তার অংশীদার গিয়ানকার্লো চেরসিচ এর সঙ্গে মিলে ক্ষমতাশালি গণমাধ্যম চালাচ্ছেন। “জাস্ট জিলিয়ান” শিরোনামের একটি বইয়ে নিজের জীবন কাহিনীও লিখছেন তিনি।
আর্থিকভাবে মোটামুটিভাবে স্বচ্ছল একটি পরিবারেই জন্মগ্রহণ করেন মাইকেল। কিন্তু ১৭ বছর বয়স থেকেই তিনি নিজের খরচ নিজেই চালিয়ে আসছিলেন। আর নিজে নিজেই মিলিয়নিয়র হওয়ার প্রক্রিয়া থেকে তিনি একটি গুরত্বপূর্ণ সত্য শিখেছেন: “অর্থ কাউকে সুখ কিনে দিতে পারে না, তবে স্বাধীনতা এনে দিতে পারে।”
তিনি বলেন, “যথেষ্ট অর্থ থাকার ফলে আমার মধ্যে আর কোনো কিছু হারানোর আতঙ্ক কাজ করে না। আর এই আতঙ্কহীনতাই আমাকে স্বাধীনতা এনে দেয়।”
তবে মাইকেলের মতে, নির্দিষ্ট একটা সময়ের পরে অতিবেশি অর্থও সমস্যার সৃষ্টি করতে শুরু করতে পারে। এবং অনেকের জন্যই তা একটি ফাঁদ হয়ে উঠতে পারে। আর বেশি অর্থ থাকলে সবসময়ই যে তা সুখ বাড়ায় এমনটাও ভাবা ঠিক নয়। অবশ্য, ব্যাংকে আমার যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ আছে এটা জানা থাকলে তা ঝুঁকি গ্রহণ এবং নতুন সুযোগের পেছনে ছোটার জন্য প্রয়োজনীয় মূল্যবান মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা সরবরাহ করে।
জিলিয়ান বলেন, “আমার বাবা খুবই সফল একজন আইনজীবি ছিলেন। আর যে বিষয়টির জন্য আমি নিজের প্রতিও কৃতজ্ঞ, তা হলো অর্থের বিষয়ে আমি খুব বেশি সেঁটে থাকিনা। অর্থ নিয়ে আমি কোনো আতঙ্কেও ভুগিনা। অর্থ আমাকে এমন অনুভূতি এনে দেয়, “ওহে, তুমি কি জান? অর্থ আসে, অর্থ চলেও যায়।”
অর্থ নিজে কখনো আপনাকে সুখি করতে পারবে না। তবে আপনি যে ধরনের জীবন-যাপন করতে চান অর্থ তা তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *