বাবা-মায়ের পাশে সমাহিত হলেন হান্নান শাহ
বাবা-মায়ের পাশে সমাহিত হলেন হান্নান শাহ

বাবা-মায়ের পাশে সমাহিত হলেন হান্নান শাহ

বিডি নিউজ ৬৪: জন্মস্থান গাজিপুরের কাপাসিয়ার ঘাঘটিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশে সমাহিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক পাটমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ। এর আগে সকাল সোয়া ৯টায় গাজীপুর শহরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ি ময়দান, সাড়ে ১০টায় কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিকেল ৩টায় কাপাসিয়ার ঘাঘটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তৃতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এসব জানাজায় বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ‌এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। এ সময় প্রিয় নেতার লাশ দেখে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হান্নান শাহের কফিনবাহী গাড়ি গাজীপুর শহরের রাজবাড়ি মাঠে এসে পৌঁছাবে। সেখানে অস্থায়ীভাবে কালো কাপড় দিয়ে তৈরি মঞ্চে তাঁর মরদেহ রাখা হয়। জানাজা শেষে দলীয় নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। জানাজায় ইমামতি করেন গাজীপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মনির উদ্দিন আহম্মেদ।

আ স ম হান্নান শাহ’র দুই ছেলে রিয়াজুল হান্নান ও রেজাউল হান্নান ছাড়াও জানাজায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিসটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, এম এ জেড জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাবেক এমপি হাসান উদ্দিন সরকার, জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, কেন্দ্রীয় নেতা পৌর মেয়র মজিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির খান, ডা. মাজহারুল আলম, মীর হালিমুজ্জামান ননী, সোহরাব উদ্দিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

সকাল সাড়ে ১০টায় জানাজা শুরু হওয়ার আগেই কানায় কানায় ভরে যায় কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ। সকালে গাজীপুরের জানাজা শেষে কফিনবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সে হান্নান শাহ’র লাশ কাপাসিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের সামনে পেছনে ছিল হাজার নেতাকর্মীদের কালো পতাকাবাহী গাড়ির বহর। সকাল ১০টার কিছু পর হান্নান শাহ’র মরদেহ কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রবেশ করলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এ সময় অনেককেই একে অপরকে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

গাজীপুর থেকে কাপাসিয়া হয়ে গ্রামের বাড়ি ঘাগটিয়া চালা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে কাপাসিয়ার বিভিন্ন স্থানে কালো পতাকা উড়তে দেখা যায়। ঢাকা-কিশোরগঞ্জ, ঢাকা-মনোহরদী সড়কের দুই পাশে কালো পতাকা টানিয়ে রাখা হয়। কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ, শ্রীপুর, মনোহরদী, শিবপুর, পলাশ, পাকুন্দিয়া, গফরগাঁও, বেলাবসহ আশপাশের জেলা উপজেলার সর্ব স্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *