যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ১৯৯৮ সালে দেশটিতে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন মার্কিন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ১৯৯৮ সালে দেশটিতে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন মার্কিন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিউবায় ব্যবসা করেছিলেন ট্রাম্প!

বিডি নিউজ ৬৪: যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ১৯৯৮ সালে দেশটিতে ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন মার্কিন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিদেল কাস্ত্রো ক্ষমতায় থাকাকালীন ট্রাম্প নিয়ন্ত্রিত একটি কোম্পানি দেশটিতে গোপনে ব্যবসায়িক কাজ পরিচালনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক সংবাদ ম্যাগাজিন নিউ উইকের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। আর খবরটি প্রকাশের পর এ ঘটনাকে কিউবায় আরোপিত বাণিজ্যিক অবরোধের ঐতিহাসিক লঙ্ঘন বলে সমালোচনা করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন।
বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিউজ উইকের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ১৯৯৮ সালে কিউবায় যখন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা চলছিল, তখন ব্যবসায়ের কাজে ৬৮ হাজার ডলার ব্যয় করেছিলেন ট্রাম্প। নিষেজ্ঞাকালীন এ ধরনের বাণিজ্যিক বিনিয়োগকে অবৈধ বলে বিবেচিত হয়। নিউজ উইকের দাবি, ট্রাম্পের বিভিন্ন নির্বাহীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং কোম্পানির অভ্যন্তরীণ রেকর্ডপত্র ও আইনি কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে কিউবায় তার ব্যবসা করার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ট্রাম্পের মুখপাত্র কেলিয়ান কনওয়ে দাবি করেছেন, ট্রাম্প ওইখানে ব্যবসার জন্য টাকা দেননি এবং তিনি কিউবার সঙ্গে চুক্তির বিরোধী ছিলেন। ট্রাম্পও বরাবরই দাবি করে আসছেন যে কিউবায় বিনিয়োগের প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
তবে নিউজ উইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় পরোক্ষভাবে মেটানো হতো। বিনিয়োগকে বৈধ করার জন্য কিউবা পরিদর্শনে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ফার্মের কনসালটেন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হতো।
কিউবায় বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করায় এক নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্পের সমালোচনা করেন হিলারি। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের আইন আছে। কিউবান বাজার ধরতে ট্রাম্প যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল তাতে বোঝা যায় যুক্তরাষ্ট্রের আইন ও নীতিমালার চেয়ে নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থকে প্রাধান্য দেন ট্রাম্প।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *