চামড়ার জুতা ৫ উপায়ে সারাবছরই রাখুন নতুনের মতো ঝকঝকে
চামড়ার জুতা ৫ উপায়ে সারাবছরই রাখুন নতুনের মতো ঝকঝকে

চামড়ার জুতা ৫ উপায়ে সারাবছরই রাখুন নতুনের মতো ঝকঝকে

বিডি নিউজ ৬৪: জুতার পরিচর্যা সঠিকভাবে করতে পারলে তা বহুদিন পর্যন্ত নতুনের মতো রাখা সম্ভব। এক্ষেত্রে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলুন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ম্যানস ওয়ার্ল্ড ইন্ডিয়া।
১. সঠিক উপকরণ
জুতা ভালোভাবে সংরক্ষণ করার জন্য নিয়মিত পরিষ্কার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এজন্য কয়েকটি সামগ্রী রাখুন। এগুলো হলো-
– ক্লিনিং ব্রাশ (নরম সিনথেটিক কিংবা প্রাণীর পশমের)
– পালিশ করার ব্রাশ (ঘোড়ার পশমের ব্রাশ সবচেয়ে ভালো)। প্রত্যেক রঙের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্রাশ রাখতে হবে। অন্যথায় এক জুতার রং অন্য জুতায় ভরে যাবে।
– টেকিং-অফ ব্রাশ হিসেবে একটি ব্রাশ রাখুন। এক্ষেত্রে ঘোড়ার পশমের ব্রাশ সবচেয়ে ভালো। তবে এ ব্রাশের বদলে নরম কাপড়ও রাখতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে প্রত্যেক রঙের জুতার জন্য ভিন্ন ভিন্ন টেকিং-অফ ব্রাশ রাখতে হবে।

২. সঠিক উপায়ে পালিশ
সঠিকভাবে জুতা পরিষ্কার করার জন্য কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে। এক্ষেত্রে জুতা পরিষ্কারের ব্রাশ ধুলোবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। এছাড়া জুতার ব্রাশ ও পরিষ্কার করার কাপড়ও ধুলোবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। ময়লা হলে গেলে তা পরিষ্কার করে নিতে হবে। অন্যথায় এগুলোতে থাকা ময়লা ও বালুর কারণে জুতা সঠিকভাবে উজ্জ্বলতা পাবে না। এছাড়া ব্যবহৃত গ্রিস, ওয়াক্স ও ময়েশ্চার সাবধানে রাখতে হবে।
জুতার সঠিক মান ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত এটি পরিষ্কার করতে হবে। এজন্য প্রথমে ক্লিনিং ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর তাতে শু ক্রিম লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, জুতার ক্রিম কয়েকটি ধাপে লাগাতে হবে। যতখানি প্রয়োজন বা জুতা নিজে টেনে নেবে, ঠিক ততখানিই লাগাতে হবে- কম বা বেশি নয়। এক্ষেত্রে প্রথমে একটি লেয়ারে ক্রিম লাগাতে হবে। এরপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে সে ক্রিমটি টেনে নেওয়ার জন্য। ক্রিমটি নেটে নেওয়ার পর দ্বিতীয় ধাপে আবার ক্রিম লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে, পুরু লেয়ারে ক্রিম লাগানো যাবে না।
সম্পূর্ণ জুতায় ক্রিম লাগানো হলে তা কিছুক্ষণ শুকিয়ে নিন। এরপর তার ওপর পালিশ করতে পারেন। এজন্য বাজারে শু পালিশ পাওয়া যায়। এতে জুতার উজ্জ্বলতা অনেক বেড়ে যাবে।
৩. সংরক্ষণ করুন শু ট্রিতে
জুতা বাসায় আনার পর তা এলোমেলোভাবে রাখবেন না। এতে জুতার মান ও আকার নষ্ট হয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় শু ট্রি ব্যবহার করতে পারলে। শু ট্রি আপনার জুতাকে ভাজ পড়া ও আকার নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচাবে। এছাড়া শু ট্রিতে জুতা রেখে তা পরিষ্কার ও পলিশ করাও সুবিধাজনক।
৪. শু হর্ন ব্যবহার করুন
জুতা পরার সময় অনেকেরই পেছনের অংশ ভাজ হয়ে যায়। তবে এ ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকার জন্য ব্যবহার করতে পারেন শু হর্ন। এটি ব্যবহার করলে জুতার পেছনের অংশ অনেকাংশে নিরাপদ থাকবে।
৫. সঠিক সময়ে মেরামত
জুতায় যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে তা ফেলে রাখবেন না কিংবা সেভাবেই ব্যবহার করবেন না। যত তাড়াতাড়ি তা ঠিক করে নেবেন ততই জুতার আয়ু বাড়বে। অন্যথায় ত্রুটিপূর্ণ জুতা নিয়ে আপনি যদি চলাচল করেন তাহলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে এবং তা দ্রুত মেরামতের অযোগ্য হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *