বিডি নিউজ ৬৪: বরগুনার পাথরঘাট উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ৫টি গাছ কেটে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তৎকালিন সাব-রেজিস্ট্রার ও প্রধান সহকারীসহ ৬ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মো. ফজলুল হক নামের এক দলিল লেখক পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। একই অভিযোগ তিনি মহাপরিদর্শক নিবন্ধন বরাবরে দাখিল করেছেন।
আজ রবিবার বেলা ১১টায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দলিল লেখক ফজলুল হক বলেন, পাথরঘাটা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের রেন্ট্রি, বাদাম ও মেহগনিসহ ৫টি গাছ কেটে আত্মসাৎ করা হয়েছে। তৎকালিন সাব রেজিস্ট্রার মো. জসীমউদ্দিন তৌফিক এলাহীর নির্দেশে প্রধান সহকারী মো. শাহজাহান, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক পনু, দলিল লেখক রফিকুল ইসলাম, মো. শাহআলম ও আল মামুন ওই ৫টি গাছ আত্মসাৎ করেছেন। ওই গাছের আনুমানিক মূল্য এক লাখ ৫৪ হাজার ছয় শত টাকা।
তিনি আরো বলেন, বরগুনা জেলা রেজিস্ট্রারের অনুমতি না নিয়েই এ গাছ কাটা হয়েছে। সাবেক সাব রেজিস্টার কর্তৃপক্ষের কোন অননুমতি ছাড়াই দলিল লেখক সমিতির কতিপয় সদস্যের যোগসাজসে সাব-রেজিষ্টার অফিস ও সাব-রেজিস্টারের বাসভবন আঙ্গিনার এ গাছ গুলো কাটেন।
এ অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মো. শাহজাহান বলেন, গাছ কাটা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে ওই গাছ কাটার ব্যাপারে তৎকালিন সাব-রেজিস্ট্রার মো.জসীমউদ্দিন তৌফিক এলাহী স্যারই বলতে পারেন। তিনি অবশ্য গত জুলাই মাসে চাকরি থেকে অবসর নিয়ে চলে গেছেন।
এদিকে পাথরঘাটা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক পনু বলেন, এ ঘটনায় আমি কিছু জানি না, তবে যতদূর জানি মসজিদ কমিটি গাছ কেটে দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন। সে দোকান ঘর উদ্বোধনকালে তৎকালিন সাব-রেজিষ্টার মো.জসীমউদ্দিন তৌফিক এলাহী ও জেলা রেজিস্টার মকবুল হোসেন খাঁন উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে বরগুনা জেলা রেজিস্ট্রার মকবুল হোসেন খাঁন রবিবার দুপুরে টেলিফোনে জানান, ‘গাছ কাটার মৌখিক অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। তবে এটা বিক্রি নয় অন্য একটি বিষয় আছে , যা সামনা সামনি বলা যাবে।’
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল