জল্লাদ রাজু প্রস্তুত, লাল খামের চিঠি গ্রামের বাড়িতেও

বিডি নিউজ ৬৪: জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার পার্ট ২ কর্তৃপক্ষ। ফাঁসি কার্যকরের পদক্ষেপ হিসেবে কারাবিধি অনুযায়ী স্থানীয় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ‌এবং সিভিল সার্জনকে অবহিতকরণে চিঠি পাঠিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। একই চিঠি পাঠানো হয়েছে মীর কাসেমের গ্রামের বাড়িতে।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় লাল খামে ভরে বিশেষ কারা বার্তাবাহকের মাধ্যমে চিঠিগুলো পাঠানো হয়। এ ছাড়া ফাঁসি কার্যকরের সময় নির্ধারণের জন্যে একটি চিঠি  পাঠানো হয়েছে কারা মহাপরিদর্শকের কাছে। ওই চিঠি পেয়ে তিনি ফাঁসির সময় নির্ধারণ করবেন। কারাগার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কারাগার সূত্র আরো জানায়, গত মঙ্গলবার আপিল বিভাগ রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পর রায়ের কপি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওইদিনই তার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়। লাল কাপড়ে মোড়ানো মৃত্যু পরোয়ানা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রাত পৌনে ১টায় কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়। বুধবার সকালে কারা কর্তৃপক্ষ মীর কাসেম আলীকে রায় খারিজ ও মৃত্যু পরোয়ানা জারির খবর জানায়।

শুক্রবার বিকেলে মীর কাসেম রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না জানালে ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবে কারা কর্তৃপক্ষ আজ  শনিবার সকালে জেলা প্রশসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে মীর কাসেম আলীর বাড়ির ঠিকানায় পরিবারকে চিঠি পাঠিয়ে অবহিত করে।

জানা গেছে, কাসেম আলীর ফাঁসির প্রধান জল্লাদের দায়িত্ব পালন করবেন জল্লাদ  শাহজাহান ভূঁইয়া। তাকে সহায়তা করবেন রাজু ও কামালসহ আরো চার জল্লাদ। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজুকে কাসিমপুর হাই সিকিউটি কারাগার থেকে কাশিমপুর কারাগার পার্ট ২ এ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাক্ষাতের জন্য বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে মীর কাসেম আলীর পরিবারের সদস্যদেরও কারাগারে আসতে বলা হয়েছে। পরিবারের ২৮ সদস্য সাক্ষাৎ করতে ঢাকার বাসা থেকে রয়ানা হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *