সবচেয়ে কমদামি ‘সুপারফুড’

বিডি নিউজ ৬৪: হলুদের নানা গুণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন। প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে হলুদ। আবার সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, কোষের স্ফীতিভাব দূর করতেও বেশ কাজের হলুদ। অটো-ইমিউন সমস্যাতেও ওষুধের মতো কাজ করে এই খাদ্যপণ্য।

এই খাবারের উজ্জ্বল হলুদ বর্ণ একে অনন্য গুণ প্রদান করে তা নয়। এই রংয়ের জন্য দায়ী কারকুমিন নামের এক রাসায়নিক উপাদান। তবে এই উপাদনটি হলুদের এক অনন্য রসায়ন।

কারমিউমিনে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। অনেক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে, সোরিয়াসিস, রিউমাটয়েড আরথ্রাইটসি এবং ইনফ্লেমেটরি বাওয়েল ডিজিস রোগের চিকিৎসায় বেশ কার্যকর হলুদ।

লিভারের জন্যও উপকারী হলুদ। রক্তকে শুদ্ধ করে হলুদ। রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে হলুদ। কাজেই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।

প্রকৃতি মানুষকে বেশ কিছু খাবার দিয়েছে যাদের বলা হয় সুপারফুড। এ তালিকায় রয়েছে হলুদের নাম। শুধু তাই নয়, হলুদ এমন এক সুপারফুড যা পেতে সবচেয়ে কম অর্থ ব্যয় করতে হয়।

যাদের ফ্যাট খাবর খেতে সমস্যা রয়েছে তাদের দুশ্চিন্তা দূর করতে পারে হলুদ। তাই চাইলে হলুদ দেওয়া খাবারে ঘি বা ফ্যাট খাবার যোগ করতে পারেন।

আরেক গবেষণায় বলা হয়, ফার্মেন্টেড অবস্থায় হলুদকে পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে দেহ। এ সময় হলুদের স্বাদও অনেক বেড়ে যায়।

এক গ্লাস দুধে এক চামচ হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

এখানে গোল্ডেন মিল্কের রেসিপি জেনে নি।

উপকরণ : আধা কাপ পানি, এক সেন্টিমিটার লম্বা এক টুকরা হলুদ সেঁচে নিন, আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, এক চা চামচের ৪ ভাগের এক ভাগ এলাচ গুঁড়া, এক সেন্টিমিটার লম্বা আদার টুকরা, আধা চা চামচ রাইস মল্ট সিরাপ, এক চিমটি গুল মরিচ এংব আধা কাপ দুধ।

প্রস্তুত প্রণালী : দুধ ছাড়া বাকি সব উপকরণ মিলিয়ে হালকা আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। টানা ৫-১০ মিনিট জ্বাল দিন। এবার এতে দুধ মেলান। আবারো ৫-১০ মিনিট জ্বাল দিন। বাড়তি স্বাদের জন্য এক চিমটি গুল মরিচ ছিটিয়ে দিন।  এবার উপভোগ করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *