বিডি নিউজ ৬৪: দিনাজপুর শহরে মো. ইয়াছিন (১০) নামে এক নির্যাতিত শিশুকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।
উদ্ধারের পর তাকে চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য নিয়ে আসলে নিরাপত্তার অভাবে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। দিনাজপুর কোতয়ালী থানার এস আই বিশ্বনাথ দাশগুপ্ত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ইয়াছিন ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার চর আনন্দপুর গ্রামের মো. বাবুলের ছেলে। তার মায়ের নাম শিরিন বেগম।
শুক্রবার রাত ৯টায় দিনাজপুর সুইহারী মাইক্রোস্ট্যান্ড হতে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
শুক্রবার রাত ৯টায় দিনাজপুর সুইহারী মাইক্রোস্ট্যান্ড হতে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
কোতয়ালী থানার এসআই বিশ্বনাথ দাশগুপ্ত জানান, রাজু নামে এক ব্যক্তি দিনাজপুর সুইহারী মাইক্রোস্ট্যান্ডে ইয়াছিন নামে এক শিশুকে প্রায় অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে সংবাদ দেয়। পুলিশ ছেলেটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
উদ্ধার হওয়া শিশুটির দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, দিনাজপুর শহরের পুলিশ লাইন সংলগ্ন ইসলামবাগ বেলতলা নামক এলাকার এ্যাড. মো. ফারুক হাসান মিনহাজুল আবেদীনের স্ত্রী রেনা পারভীন বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ থেকে মো. ইয়াছিনকে কাজের জন্য ৪ মাস আগে দিনাজপুর নিয়ে আসে। ইয়াছিন এখানে আসার পর থেকে তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের শিকার শিশুটি বাড়ি থেকে পালিয়ে দিনাজপুর সুইহারী মাইক্রোস্ট্যান্ডে আসে। উদ্ধারের সময় ইয়াছিনের মাথার চুল ছেড়া এবং সারা শরীর জুড়ে ক্ষতচিহ্ন ছিল।
হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন ইয়াছিন জানায়, রেনা আন্টি আমার মাথার চুলগুলো টেনে টেনে ছিঁড়ে ফেলেছে। কারণে অকারণে তাকে লাঠি দিয়ে পায়ে হাতে মারধর করা হতো। শরীরে ছেকা দেওয়া হতো। দিনের পর দিন না খাইয়ে রাখা হতো। বাড়ি যাওয়ার কথা বললেই নির্যাতন করা হতো। নখের খসা দিয়ে খামচে ধরতো। যখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন তার মাথা দিয়ে রক্ত ঝরছিল।
উদ্ধার হওয়া শিশুটির দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, দিনাজপুর শহরের পুলিশ লাইন সংলগ্ন ইসলামবাগ বেলতলা নামক এলাকার এ্যাড. মো. ফারুক হাসান মিনহাজুল আবেদীনের স্ত্রী রেনা পারভীন বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ থেকে মো. ইয়াছিনকে কাজের জন্য ৪ মাস আগে দিনাজপুর নিয়ে আসে। ইয়াছিন এখানে আসার পর থেকে তার উপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের শিকার শিশুটি বাড়ি থেকে পালিয়ে দিনাজপুর সুইহারী মাইক্রোস্ট্যান্ডে আসে। উদ্ধারের সময় ইয়াছিনের মাথার চুল ছেড়া এবং সারা শরীর জুড়ে ক্ষতচিহ্ন ছিল।
হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন ইয়াছিন জানায়, রেনা আন্টি আমার মাথার চুলগুলো টেনে টেনে ছিঁড়ে ফেলেছে। কারণে অকারণে তাকে লাঠি দিয়ে পায়ে হাতে মারধর করা হতো। শরীরে ছেকা দেওয়া হতো। দিনের পর দিন না খাইয়ে রাখা হতো। বাড়ি যাওয়ার কথা বললেই নির্যাতন করা হতো। নখের খসা দিয়ে খামচে ধরতো। যখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন তার মাথা দিয়ে রক্ত ঝরছিল।
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বিপুল চন্দ্র রায় জানান, শিশুটির শারীরিকভাবে খুব দুর্বল হয়ে পড়েছে। উন্নত চিকিৎসা এবং নিরাপত্তা জনিত কারণে তাবে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার শরীরে নতুন পুরাতন অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শিশুটির সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
কোতয়ালী থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এক যুবক মোবাইলে সংবাদ দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। জনৈক ফারুক এ্যাডভোকেটের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। শিশুটির দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে পুলিশ। সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল