বিডি নিউজ ৬৪: প্রথমে বোরখা, তারপর বুর্কিনিও নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স৷ কিন্তু মুসলিম নারীদের এই পোশাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার ফল হয়েছে ঠিক উলটো৷ বরং পাশ্চাত্যে এই বুর্কিনির বিক্রি বেড়ে গিয়েছে কয়েকগুন বেশি!
শুধু মুসলিম নারীরা নয়! এখন অনেক অমুসলিম মহিলারাও বুর্কিনিতে মজেছেন৷ জার্মান বুর্কিনির ডিজাইনার আহেদা জানেত্তি নিজেই জানিয়েছে কথাটা৷ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের বিক্রি আরও বাড়ছে৷ ওরা যতই নিষিদ্ধ করুক, যতই বাতিল ঘোষণা করুক, তার মানে তো এই নয় যে সবাই এটা পরা বন্ধ করে দেবে৷” আহেদা জানান, এখন মোট বিক্রির প্রায় ৪০ শতাংশ বুর্কিনিই উঠছে অমুসলিম নারীদের হাতে৷
২০০৪ সালে শুধু মুসলিম নারীদের কথা ভেবেই সাঁতারের এই বিশেষ পোশাকটির ডিজাইন করেছিলেন লেবানন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানো আহেদা জানেত্তি৷ ‘বোরখা এবং স্নানের পোশাক বিকিনি – এই দু’য়ের ধারণার সমন্বয়ে তৈরি ‘বুর্কিনি’৷ এই পোশাকের নাম দিয়েছিলেন আহেদা৷ ভেবেছিলেন, মুসলিম নারীদের ওপর চোখ-মুখ ঢাকা বোরখা পরায় যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে তা থেকে এই পোশাক রেহাই পাবে৷ আরও ভেবেছিলেন সাধারণ অবস্থায় তো বটেই চাইলে সাঁতারের সময়ও এই পোশাক পরতে পারবেন মুসলিম নারীরা৷
সম্প্রতি ফ্রান্সে বুর্কিনিও নিষিদ্ধ করা হয়৷ ফ্রান্স সরকার বলছে, বোরখা বা নিকাব তো বটেই, এমনকি মুখমণ্ডল ছাড়া শরীরের বাকি সব অংশ ঢেকে রাখার পোশাক বুর্কিনিও সে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ নীতির সঙ্গে বেমানান৷ তারপর থেকেই চলছে বিতর্ক৷ কেউ কেউ বলছেন, বুর্কিনি নিষিদ্ধ করা একেবারেই ঠিক হয়নি৷ কেউ আবার বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না৷
তবে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া সবাই যা-ই বলুন, বাজারে কিন্তু তার খারাপ কোনও প্রভাব পড়েনি৷ বরং বিতর্ক বাজারকে আরও চাঙা করেছে৷ আহেদা জানেত্তি আশা করছেন, সারা বিশ্বে বুর্কিনির বিক্রি আরও বাড়বে৷
শুধু মুসলিম নারীরা নয়! এখন অনেক অমুসলিম মহিলারাও বুর্কিনিতে মজেছেন৷ জার্মান বুর্কিনির ডিজাইনার আহেদা জানেত্তি নিজেই জানিয়েছে কথাটা৷ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের বিক্রি আরও বাড়ছে৷ ওরা যতই নিষিদ্ধ করুক, যতই বাতিল ঘোষণা করুক, তার মানে তো এই নয় যে সবাই এটা পরা বন্ধ করে দেবে৷” আহেদা জানান, এখন মোট বিক্রির প্রায় ৪০ শতাংশ বুর্কিনিই উঠছে অমুসলিম নারীদের হাতে৷
২০০৪ সালে শুধু মুসলিম নারীদের কথা ভেবেই সাঁতারের এই বিশেষ পোশাকটির ডিজাইন করেছিলেন লেবানন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানো আহেদা জানেত্তি৷ ‘বোরখা এবং স্নানের পোশাক বিকিনি – এই দু’য়ের ধারণার সমন্বয়ে তৈরি ‘বুর্কিনি’৷ এই পোশাকের নাম দিয়েছিলেন আহেদা৷ ভেবেছিলেন, মুসলিম নারীদের ওপর চোখ-মুখ ঢাকা বোরখা পরায় যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে তা থেকে এই পোশাক রেহাই পাবে৷ আরও ভেবেছিলেন সাধারণ অবস্থায় তো বটেই চাইলে সাঁতারের সময়ও এই পোশাক পরতে পারবেন মুসলিম নারীরা৷
সম্প্রতি ফ্রান্সে বুর্কিনিও নিষিদ্ধ করা হয়৷ ফ্রান্স সরকার বলছে, বোরখা বা নিকাব তো বটেই, এমনকি মুখমণ্ডল ছাড়া শরীরের বাকি সব অংশ ঢেকে রাখার পোশাক বুর্কিনিও সে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ নীতির সঙ্গে বেমানান৷ তারপর থেকেই চলছে বিতর্ক৷ কেউ কেউ বলছেন, বুর্কিনি নিষিদ্ধ করা একেবারেই ঠিক হয়নি৷ কেউ আবার বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যায় না৷
তবে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া সবাই যা-ই বলুন, বাজারে কিন্তু তার খারাপ কোনও প্রভাব পড়েনি৷ বরং বিতর্ক বাজারকে আরও চাঙা করেছে৷ আহেদা জানেত্তি আশা করছেন, সারা বিশ্বে বুর্কিনির বিক্রি আরও বাড়বে৷
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল