বিডি নিউজ ৬৪: আনোয়ারা উপজেলার কর্ণফুলী থানার সিইউএফএল সংলগ্ন ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) প্ল্যান্টের ৩০০ টনের অ্যামোনিয়া রিজার্ভ ট্যাংকে লিকেজের কারণে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গ্যাসের কারণে অসুস্থ হওয়া রোগীদের দেখতে এসে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে । কমিটি গ্যাস লিকেজের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি কমিটি ডিএপি প্ল্যান্টের কর্মকর্তাদের গাফিলতি আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখবে।
কর্ণফুলী থানাধীন কারখানা এলাকা ছাড়াও নগরীর পতেঙ্গা, ইপিজেড, আগ্রাবাদ, হালিশহর এলাকায় বাতাসে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টে ভোগেন। নগর পুলিশের বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, ডিএপি কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়েছে। এর ফলে কেউ কেউ শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। সার কারখানার প্রকৌশলীরা কাজ করছেন ত্রুটি সারাতে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ডিএপি কারখানার এমডির সঙ্গে তিনিও দুর্ঘটনাস্থলে আছেন। প্রকৌশলীরা কাজ করছেন দ্রুত ত্রুটি সারাতে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের আগ্রাবাদ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত মো. মামুন জানান, পটিয়া, লামারবাজার, নন্দনকানন, আগ্রাবাদ, ইপিজেড, আগ্রাবাদ স্টেশন থেকে ১০টি গাড়ি পাঠানো হয়েছে। এসব গাড়ি লিকেজ হওয়া ট্যাংকে কৃত্রিম বৃষ্টির মতো পানি ছিটাচ্ছে, যাতে বাতাসে গ্যাস ছড়াতে না পারে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই পঙ্কজ বড়ুয়া জানান, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অর্ধশতাধিক মানুষ ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন আনসার সদস্য ও শিশু রয়েছে। এদের সার কারখানা এলাকা থেকে আনা হয়েছে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল