বিডি নিউজ ৬৪: মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে সম্মিলিতভাবে জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী তথা স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খাদ্য ভবন প্রাঙ্গনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খাদ্যমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। খাদ্যমন্ত্রণালয় এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। বিশ্বব্যাংক অর্থ প্রত্যাহার করার পরেও পদ্মা সেতু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর যে ইমেজ তৈরি হয়েছে তা নস্যাৎ করার জন্যই এই ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। যার নেতৃত্বে রয়েছে ৭১ এর পরাজিত সেই শক্তি।
কামরুল ইসলাম বলেন, শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। তিনি আরো বলেন, বিজয়ের আনন্দ ক্ষণস্থায়ী কিন্তু পরাজয়ের গ্লানি চিরস্থায়ী। আর ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই পরাজিত শক্তিরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।
তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র নায়ককে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের জাতির পিতাকে যেভাবে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে আর একটিও নেই।’
অ্যাডভোকেট কামরুল বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে জেনারেল জিয়া ক্ষমতায় বসেছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশে চাকরির ব্যবস্থা করে তাদের পুনর্বাসন করেছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন এবং মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। যার ধারাবাহিকতা বেগম জিয়াও অব্যহত রাখেন। ৭৫’ এর পর দীর্ঘসময়ে এ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বিভিন্ন লেবাসে দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলো।
তিনি বলেন, আজকে সারা দেশে যে জঙ্গি আক্রমণ তার বীজ বপন হয়েছিল ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে।
আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফয়েজ আহমদ।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল