বিডি নিউজ ৬৪: সাইবার স্পেস ব্যবহার করা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যৌথ নজরদারি চালাতে এক সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ, ভূটান, ভারত এবং নেপাল (বিবিআইএন) সম্মত হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ কথা জানিয়েছেন।
এ সপ্তাহের গোড়ার দিকে বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, আর্ন্তজাতিক সন্ত্রাসবাদকে এগিয়ে নিয়ে যেতে মৌলবাদ বিস্তারে অন্যতম প্লাটফর্ম হচ্ছে অনলাইন। এই সন্ত্রাসবাদ বন্ধে অন্যান্য সেক্টরের মতো এই চারটি দেশ এক সঙ্গে কাজ করবে।
তারানা বলেন, বাংলাদেশ প্রথম এই উদ্যোগ নেয়। বাংলাদেশ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সাইবার স্পেস ব্যবহার বন্ধে যৌথ নজরদারি করতে প্রথম ভারত ও ভূটানের সঙ্গে আলোচনা করে। তিনি আরো বলেন, ঢাকা এ বিষয়ে নেপালের সঙ্গেও আলোচনা করবে এবং পরে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবে।
তারানা হালিম বলেন, আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় সন্ত্রাসবাদকে বৈশ্বিক হুমকি হিসাবে উল্লেখ করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাইবার অপরাধ ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
প্রতিমন্ত্রী তারানা বলেন, যারা অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করছে, তাদের জন্য এটি হলো একটি ম্যাসেজ।
উল্লেখ্য, প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে ভারত সফর করেন এবং পরে ১ থেকে ২ আগস্ট ভূটান সফর করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশি ব্যান্ডউইথ রপ্তানি এবং টেলিযোগাযোগ সেক্টরে সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ক এসোসিয়েশন (সার্ক) ভিত্তিক একটি স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে। এ জন্য বাংলাদেশ উদ্যোগও নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ সার্ক স্যাটেলাইট নিয়ে আঞ্চলিক আলোচনায় যোগ দিতে এ মাসের গোড়ার দিকে ভারত সফর করেন। তারানা বলেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।
তবে তিনি বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার থাকবে আমাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু – ১ নিয়ে। আমাদের নিজস্ব স্যাটেলাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়, এমন কোন কর্মকাণ্ডের সাথে আমরা আপোষ করব না।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল