‘পাখি’ কে নিয়ে মিথ্যা খবর : নিন্দা জানালেন তারকারা

বিডি নিউজ ৬৪: ভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার জলসার ‘পাখি’ খ্যাত মধুমিতা চক্রবর্তী দেহব্যবসা করতে গিয়ে গোয়ার হোটেল থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে মিথ্যে খবর প্রচারের বিরুদ্ধে এখন সরব টালিউড। কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার  এর তথ্যমতে, অভিযোগের তীর বাংলাদেশের তিনটি বস্তাপচা ওয়েব পোর্টালের দিকে। মধুমিতার বেশ কিছু ছবিও বিকৃত করে ওই সব সাইটে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

এ ঘটনায় স্বামী সৌরভকে নিয়ে কলকাতার লালবাজার থানায় গতকাল লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পাখি। এরপর জয়েন্ট সিপি হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানান তিনি। এ সময় পুলিশের হাতে মধুমিতার বিকৃত করা কিছু ছবিও তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। এমনকী চক্রান্তের অভিযোগ তুলে তথ্যপ্রযুক্তি ধারায় মামলাও দায়ের করেছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

এ ঘটনায় দু্ই দেশের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানা না গেলেও টালিউড তারকারা এই বানোয়াট খবর পরিবেশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সেই তারকাদের মন্তব্যগুলো মূলত ওয়েব পোর্টালগুলোর নোংরামির বিরুদ্ধে।

শ্রীলেখা মিত্র
একসময় আমার ছবিও মর্ফড হয়েছিল। তখন সেটা দেখে আমি শুধু হেসেছিলাম। ইগনোর করেছিলাম। মধুমিতার সঙ্গেও প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। যদিও ওকে ব্যক্তিগত ভাবে আমি চিনি না। কিন্তু ও লালবাজারে গিয়ে একদম ঠিক কাজ করেছে। যারা এ সব করে তারা মানসিকভাবে বিকৃত। তাই দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। যাতে কেউ আর কখনও এ সব কাজ করার সাহস না পায়। মধুমিতাকে বলব, ও যেন শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। মাঝপথে হাল ছেড়ে দিলে কিন্তু কোনো লাভ নেই।

ইন্দ্রাণী হালদার
সোশাল মিডিয়ার ভালো-মন্দ দুটি দিকই রয়েছে। এটা তো ঠিক কথা সোশাল ওয়ার্ল্ডের হাত ধরে অনেক উপকৃত হই আমরা। এটাই ঠিক এমন কাজ কেউ না কেউ সব সময় করতে চাইবেন। মধুমিতার সঙ্গে যে ঘটনাটি ঘটেছে তাকে সম্পূর্ণ ভাবে ধিক্কার জানাচ্ছি। যদি উপায় থাকে দোষীদের ধরে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক। তবে এটা করে কেউ মধুমিতার পার্সোনালিটিতে ছোট করতে পারবে না। ও তো পাবলিক ফিগার। মন দিয়ে কাজটা করে যেতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। এ ঘটনা নতুন নয়। আগেও হয়েছে। ভয় না পেয়ে প্রতিবাদ যেমন করতে হবে তেমনই মনে রাখতে হবে কাজটাই আসল। সে জন্যই দর্শক ওকে ভালোবাসেন।

সুদীপ্তা চক্রবর্তী
মধুমিতার সঙ্গে যেটা হয়েছে সেটা জঘন্য অপরাধ। সব সময় দেখবেন গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের লোকরা টার্গেট হন। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ফেসবুকে তো সেলিব্রিটিদের ছবিতে যা খুশি তাই মন্তব্য করেন এক ধরনের মানুষ। এরা কী ভেবেছে? এটা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।

এনা সাহা
মধুমিতার সঙ্গে আমি কাজ করেছি। তাকে আমি অনেক দিন ধরেই চিনি। তার সঙ্গে যেটা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। মধুমিতা লিগ্যাল স্টেপ নিয়ে একদম সঠিক কাজ করেছে। আমি তো ভাবতেই পারছি না এই রকম কেউ করতে পারে! তার জন্য সব রকম মরাল সাপোর্ট রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *