বিডি নিউজ ৬৪: বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছেন, “প্রথম বেলার সকালের মুখে থাকে স্বর্ণ”। ফ্রাঙ্কলিনের এই উপমা একদমই অতিশয়োক্তি নয়। কারণ সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে জাগার অনেক উপকারীতা রয়েছে। এখানে ভোর ৬টার আগেই ঘুম থেকে ওঠার কয়েকটি উপকারীতা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
বেশি উৎপাদনশীলতা
ভোর বেলাতেই ঘুম থেকে জাগতে পারলে পুরো দিনটিই ভালোভাবে শুরু করা সম্ভব। এতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা যায়। আর কাজের গতিও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, যখন কোনো ব্যক্তি ভোর বেলাতেই ঘুম থেকে জাগেন তখন তিনি অনেক বেশি কর্মশক্তিপূর্ণ থাকেন এবং কোনো কাজ করতে তার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম সময় লাগে। অন্যথায়, একই কাজে অনেক বেশি সময় লাগে। তিনি ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য অর্জনে অনেক দক্ষও হয়ে থাকেন।
মানসিক সুস্থতা
ভোর বেলায় ঘুম থেকে জাগার আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ উপকারীতা হলো এর ফলে মানসিক চাপ কমে আসে। আর তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে জাগার ফলে আপনাকে সকাল বেলায় আর অফিসে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করতে হবে না। এরপর আপনি আপনার দিনটি ইতিবাচক মনোভঙ্গি নিয়ে শুরু করতে পারবেন। আর এই ধরনের ইতিবাচকতা পুরো দিনব্যাপীই আপনার সঙ্গে থাকবে।
ঘুমের গুনগত মান বাড়বে
যারা দিনের শুরুতেই বিছানা ছেড়ে উঠতে পারেন তারা আবার রাতেও বিছানায় যেতে পারেন তাড়াতাড়ি। আপনি যদি সূর্য ওঠার আগেই বিছানা ছেড়ে ওঠার বিষয়টিকে দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত করতে পারেন তাহলে আপনার ঘুমের গুনগত মানও বাড়বে। কারণ এতে আপনার আভ্যন্তরীণ দেহঘড়ি আপনার নতুন ঘুমের রুটিনের সঙ্গেও মানিয়ে নেয় সহজেই।
বড় স্কোর
টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিক্ষার্থী ভোর বেলাতেই জাগতে পারেন তারা দেরিতে জাগাদের চেয়ে বেশি নম্বর পান। তাদের জিপিএ অন্যদের তুলনায় বেশি হয়। এই সাফল্যের পেছনে তারা বাড়তি উৎপাদনশীলতা এবং ভালো ঘুম হওয়াকেই কারণ হিসেব উল্লেখ করেন।
উজ্জ্বল দুনিয়া
ভোর বেলাতেই ঘুম থেকে জাগলে মন ইতিবাচকতায় পূর্ণ হয়ে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ভোর বেলাতেই ঘুম থেকে জাগেন তারা অনেক বেশি সুখী হন। আর এই সুখ শুধু অল্পদিনের জন্য নয় বরং পুরো জীবনভরই তা থাকবে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল