বিডি নিউজ ৬৪: নীলফামারীতে সার উত্তোলন বন্ধ করেছেন জেলার ৭৪ জন রাসায়নিক সার ডিলার। পার্বতীপুর বাফার গুদাম থেকে ছেড়া, ফাটা বস্তা এবং জমাটবাঁধা নিম্নমানের সার সরবরাহের অভিযোগে আজ বুধবার দুপুর থেকে সার উত্তোলন বন্ধ করেন তাঁরা। সমস্যার সমাধান না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সার উত্তোলন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন ডিলাররা।
সার ডিলারদের সংগঠন জেলা ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ সরকার বলেন, “দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর বাফার গুদামে (সার সরবরাগের গুদাম) চায়না থেকে আমদানি করা ইউরিয়া সার ছেড়া, ফাটা বস্তায় সরবরাহ করা হচ্ছে জেলার ৭৪ জন ডিলারকে। সরবরাহকৃত অনেক সারের বস্তা জমাট বেঁধেছে। নিম্নমানের ওই জমাটবাঁধা এবং ছেড়া, ফাটা বস্তার সার কৃষকরা কিনতে অনিহা প্রকাশ করছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অভিযোগে বুধবার দুপুর থেকে আমরা ওই গুদাম থেকে সার উত্তোলন বন্ধ রেখেছি। এরপরও সমস্যা সমাধান না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সার উত্তোলন থেকে বিরত থাকবো আমরা।” তিনি বলেন, “চলতি মাসে জেলায় বরাদ্দ রয়েছে সাড়ে ছয় হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া সার। জেলায় আমন আবাদের এই ব্যস্ত সময় সারের চাহিদা ব্যাপক। কিন্তু বস্তার মান এবং সার জমাটবাঁধা দেখে কৃষকরা সার না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।”
এ ব্যাপারে পার্বতীপুর বাফার গুদামের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, “গুদাম থেকে একজন ডিলারকে আমরা কখনো সারে ছেড়া, ফাটা বস্তা নিতে বাধ্য করি না। ব্যবহার অনুপযোগী সার সরবরাহ করা হয় না। জমাটবাঁধা বস্তা বাছাই করে আলাদা করে রাখা হচ্ছে। চায়না থেকে আমদানি করা সারের মান উন্নত। কিন্তু অনেক দূর থেকে আসায় দেখতে বস্তার মান কিছুটা খারাপ দেখাচ্ছে। মূলত চায়না থেক আসা ইউরিয়া সারের দানা কিছুটা মোটা হওয়ায় ডিলাররা নিতে অনিহা প্রকাশ করছেন। জেলায় এ মাসের বরাদ্দ সারের প্রায় ৪০ ভাগ সরবরাহ হয়েছে।”
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল