বিডি নিউজ ৬৪: আমি পর্ন দেখায় আসক্ত। কিন্তু সম্প্রতি আমি আমার দীর্ঘদিনের বান্ধবীকে বিয়ে করেছি। ফলে এখন পর্ন দেখার মতো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হারানোয় আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। বিষয়টি আমাকে বেশ সমস্যায় ফেলে দিয়েছে। আমি এখন টয়লেটে বসে পর্ন দেখি। আর আমার স্ত্রীও বিষয়টি নিয়ে আমাকে সন্দেহ করা শুরু করেছে। কিন্তু আমি স্ত্রীকে ভালোবাসি। আর আমার পর্ন দেখাকেও আমি তার জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করি না। আমি কী করতে পারি?
আপনি বলেছেন যে আপনি পর্ন আসক্ত। তার মানে নিজের সমস্যাটি সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা রয়েছে। চরম মাত্রার যে কোনো আচরণ, চিন্তা বা আকুতিই ক্ষতিকর। আর তা আরো ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় যখন তারা আপনাকে বিশেষ কোনো কাজ বারবার করতে বাধ্য করে।
এই ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রাথমিকভাবে নিজেরা তাদের সমস্যাটি বুঝতে পারেন না। কিন্তু সমস্যাটি জিইয়ে রাখলে পরবর্তী জীবনে তা মারাত্মক কোনো ফল বয়ে আনতে পারে। সীমিত মাত্রায় পর্ন দেখা খুব বেশি ক্ষতিক নয়। তবে পরবর্তী জীবনে এটি বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য একটি সমস্যামূলক ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
এছাড়া এর ফলে আপনি সামাজিক বিচ্ছিন্নতার অনুভুতি, অবসাদ বা মর্মপীড়া, নিরাপত্তাহীনতা, বাস্তব যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলা এবং স্ত্রীর কাছ থেকে উচ্চহারে যৌনতার প্রত্যাশা করার মতো সমস্যায়ও আক্রান্ত হতে পারেন। যার ফলে বৈবাহিক জীবনে অশান্তি নেমে আসতে পারে।
সূতরাং যখনই আপনার মাঝে পর্ন দেখার আকুতি কাজ করবে তখনই উৎপাদনশীল কোনো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন।
এছাড়া কোনো মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নিতে পারেন। তিনি হয়তো আপনার এই ধরনের আকুতি ও চিন্তাগুলোকে মোকাবেলা করার পদ্ধতি বাতলে দিতে পারবেন; যা আপনার দৈনন্দিন রুটিন, দাম্পত্য সম্পর্ক এবং সার্বিকভাবে আপনার জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আপনি বলেছেন যে আপনি পর্ন আসক্ত। তার মানে নিজের সমস্যাটি সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা রয়েছে। চরম মাত্রার যে কোনো আচরণ, চিন্তা বা আকুতিই ক্ষতিকর। আর তা আরো ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় যখন তারা আপনাকে বিশেষ কোনো কাজ বারবার করতে বাধ্য করে।
এই ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রাথমিকভাবে নিজেরা তাদের সমস্যাটি বুঝতে পারেন না। কিন্তু সমস্যাটি জিইয়ে রাখলে পরবর্তী জীবনে তা মারাত্মক কোনো ফল বয়ে আনতে পারে। সীমিত মাত্রায় পর্ন দেখা খুব বেশি ক্ষতিক নয়। তবে পরবর্তী জীবনে এটি বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য একটি সমস্যামূলক ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
এছাড়া এর ফলে আপনি সামাজিক বিচ্ছিন্নতার অনুভুতি, অবসাদ বা মর্মপীড়া, নিরাপত্তাহীনতা, বাস্তব যৌনতায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলা এবং স্ত্রীর কাছ থেকে উচ্চহারে যৌনতার প্রত্যাশা করার মতো সমস্যায়ও আক্রান্ত হতে পারেন। যার ফলে বৈবাহিক জীবনে অশান্তি নেমে আসতে পারে।
সূতরাং যখনই আপনার মাঝে পর্ন দেখার আকুতি কাজ করবে তখনই উৎপাদনশীল কোনো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন।
এছাড়া কোনো মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নিতে পারেন। তিনি হয়তো আপনার এই ধরনের আকুতি ও চিন্তাগুলোকে মোকাবেলা করার পদ্ধতি বাতলে দিতে পারবেন; যা আপনার দৈনন্দিন রুটিন, দাম্পত্য সম্পর্ক এবং সার্বিকভাবে আপনার জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল