অন্তর্মুখী শিশুকে লালন-পালনের জন্য ৪ তথ্য জেনে রাখুন

বিডি নিউজ ৬৪: অনেক শিশু অন্যদের তুলনায় চুপচাপ থাকে। আর এ কারণে তাদের লাজুক বলে চিহ্নিত করা হলেও বাস্তবে কিভাবে এ ধরনের শিশুদের বড় করা হবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি থেকে যায়। শিশু যদি হয় অন্তর্মুখী তাহলে তার জন্য বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে। এ লেখায় দেওয়া হলো অন্তর্মুখী শিশুকে বড় করার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা শিশুর অভিভাবকদের অবশ্যই জেনে রাখা উচিত।
১. বিষয়টি স্বাভাবিক
বহু শিশুই তাদের স্কুলে শিক্ষক কিংবা সহপাঠীদের সঙ্গে ভালোভাবে মিশতে পারে না। তারা ক্লাসরুমে সবার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে গেলে আড়ষ্ট হয়ে যায়। এমনকি তাদের অনেকে নিজের মা-বাবার সঙ্গেও সঠিকভাবে মনের ভাব প্রকাশ করে না। এ বিষয়টিকে অনেকে অস্বাভাবিক মনে করলেও বিষয়টি তা নয়। কিছু শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ হলেও এ ধরনের আচরণ করতে পারে, যা সঠিক পরিচর্যা ও অনুশীলনের মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব।
২. নতুন পরিবেশে অভ্যস্ত করুন
এ ধরনের অন্তর্মুখী শিশু যেন স্বাভাবিক আচরণ করে সেজন্য তাকে বিভিন্ন পরিবেশে অভ্যস্ত করানো প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা চলবে না। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যেন সঠিকভাবে মনের ভাব আদান-প্রদান করে সেজন্য চেষ্টা করতে হবে।
৩. আগ্রহের বিষয় নিয়ে কাজ
শিশুর নিশ্চয়ই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আগ্রহ কাজ করে। এসব আগ্রহের বিষয় তাকে সামাজিক হতে সহায়তা করবে। সে যদি খেলাধুলা পছন্দ করে তাহলে সে যেন বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করে এবং খেলার বন্ধুদের সঙ্গে মনের ভাব প্রকাশ করে তা দেখতে হবে। পড়াশোনার বাইরে নানা ধরনের শখের কার্যক্রমে যুক্ত হলেও মানুষের সঙ্গে মনের ভাব প্রকাশ সহজ হবে, যা তাকে পরিবর্তিত করবে।
৪. আনন্দ ও ভয়ের বিষয় আলাদা করুন
আপনার শিশু যদি অন্তর্মুখী চরিত্রের হয় তাহলে তার আনন্দ ও ভয়ের বিষয় আলাদা করে নির্ণয় করুন। কোন সময় সে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারে তা জেনে নিন। এরপর ভয় দূর করার পদক্ষেপ নিন এবং তার আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে সে যেসব কাজ করতে ভালোবাসে সেসব কাজে বেশি করে উৎসাহ দিন এবং ক্রমে তার পরিধি বৃদ্ধি করুন। এতে এক পর্যায়ে ভয়ের বিষয়গুলো দূর হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *