বিডি নিউজ ৬৪: একটি সময় ছিল ইন্টারনেট মানেই গুগল। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে জানেন কিন্তু গুগলের নাম শোনেন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে ইন্টারনেটে ভিডিও দেখার জন্য ইউটিউবের অবস্থান সবসময় শীর্ষে। সারা পৃথিবীতে ওয়েব সাইটগুলোতে কি পরিমাণ দর্শনার্থী পরিদর্শন করে তার ওপর একটি জরিপ করে অ্যামাজনের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির নাম অ্যালেক্সা। বাংলাদেশের অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ে গুগলকে ছাড়িয়ে শীর্ষে রয়েছে ইউটিউব।
আজ ২আগষ্ট দেশের অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ের শীর্ষে অবস্থান করছে ইউটিউব। বৈশ্বিক ওয়েবসাইটের সারিতে ইউটিউবের স্থান দ্বিতীয়। বহু দেশেই টিভির বিকল্প হিসেবে ইউটিউব ব্যবহার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশেও টিভিতে প্রচারিত নাটক, স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচিত্র থেকে শুরু করে সব ধরণের কনটেন্ট ই পাওয়া যায় ইউটিউবে। ইউটিউবে দেখার সুবিধাও রয়েছে। যে সময় নাটকটি প্রচারিত হয় সে সময় যদি ব্যস্ততার কারণে আপনার দেখার সময় না হয়, তাহলে আপনি ইউটিউব ব্যবহার করে পরেও দেখে নিতে পারেন। এছাড়াও অনেক চ্যানেল এখন ইউটিউবে লাইভ দেখা যায়।
ইউটিউবে দেখার অন্যতম আরেকটি সুবিধা হলো এখানে বিজ্ঞাপন বাদ দিয়ে নাটক বা সিনেমা দেখা যায়। টেলিভিশন একমুখী যোগাযোগ মাধ্যম হলেও ইউটিউবে উভয় মুখী যোগাযোগ করা যায়। দর্শনার্থীরা ভিডিও দেখে নিজেদের পরামর্শ এবং মতামত জানাতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রোনোতে ইউটিউবের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। পে পালে চাকরি করা ৩ জন উদ্যোক্তার হাত ধরে ২০০৫ সালে ইউটিউব যাত্রা শুরু করে। এই তিনজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। জাভেদ করিম নামের বাংলাদেশি এই উদ্যোক্তা প্রথম থেকেই ইউটিউবের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে ১.৬৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গুগল ইউটিউব কিনে নেয়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালে ইউটিউবের উপার্জন ছিল ৪ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে ফেসবুক বাংলাদেশের অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ে শীর্ষে ছিল। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তে কিছুদিন ফেসবুক বন্ধ থাকাতে ফেসবুকের র্যাংকিং শীর্ষ অবস্থান থেকে নিচে নেমে আসে। বর্তমানে বাংলাদেশের অ্যালেক্সা র্যাংকিংয়ে ফেসবুক তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল