বিডি নিউজ ৬৪: ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে অনেক চাকরিপ্রার্থীই এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়েন। তারা যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন, বাস্তবে সে পদের জন্য মানুষ নেওয়া হয়ে গিয়েছে। ইন্টারভিউটা এ ক্ষেত্রে শুধুই নিয়ম রক্ষা। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন এ ধরনের পরিস্থিতিতে আপনি পড়েছেন কি না? এ লেখায় দেওয়া হলো পাঁচটি পয়েন্ট, যা দেখে অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারবেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফোর্বস।
১. চাকরিপ্রার্থীর দিকে না তাকানো
ইন্টারভিউয়ের সময় চাকরিপ্রার্থীর দিকে যদি ইন্টারভিউয়াররা ভালোভাবে না তাকান তাহলে বুঝতে হবে কোথাও গণ্ডগোল রয়েছে। আপনার চাকরির ইন্টারভিউ হতে পারে ভালো, কিন্তু তার পরও তারা যদি আপনাকে নিতে প্রস্তুত না থাকেন তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতি হতে পারে। কারণ ইন্টারভিউয়ের সময় যে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করার কথা সেগুলো তারা ঠিকই করবেন। তবে নিয়োগ দিতে আগ্রহী হবেন না।
২. ‘আমাদের আরও যোগ্য লোক রয়েছে…’
ইন্টারভিউ নেওয়ার সময় কর্মকর্তারা আপনাকে নানা কথার ফাঁকে যদি শুনিয়ে দেন যে, ‘আমাদের আরও বহু যোগ্য চাকরিপ্রার্থী রয়েছেন’। আর এ কথাটি কেন তারা বললেন, এ বিষয়টি চিন্তা করলেই আপনি আসল বিষয় বুঝতে পারবেন যে, এ পদের বিপরীতে তারা তাদের দৃষ্টিতে ‘যোগ্য’ কোনো ব্যক্তিকে আগেই নির্বাচিত করেছেন। ইন্টারভিউটা এখন শুধু নিয়ম রক্ষা করা।
৩. আমাদের আরও চাকরি রয়েছে
ধরুন আপনি একটি নির্দিষ্ট পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন। সেখানে আপনার সঙ্গে সেই নির্দিষ্ট পদটির বিষয়েই কথা বলার কথা। কিন্তু নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যদি আপনার সঙ্গে ইন্টারভিউয়ের ফাঁকে জানিয়ে দেন যে, এ চাকরিটা না হলেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। তখন বুঝতে হবে কোথাও গণ্ডগোল রয়েছে।
৪. তাড়াহুড়া
ইন্টারভিউতে তারা যদি সত্যিই আপনাকে নিয়োগ করতে চায় তাহলে প্রচুর সময় নিয়ে আপনার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলবে। আর যদি দেখা যায় তারা ঘন ঘন ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছেন এবং কোনো কারণে দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করতে চাইছেন তাহলে বুঝতে হবে পরিস্থিতি সুবিধের নয়। এখানে চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
৫. সঠিক বিষয়ে আলোচনা না করা
ইন্টারভিউতে আপনি যে বিষয়ে চাকরি করতে চাইছেন ঠিক সেই বিষয়ে আলোচনা যদি না হয় তাহলে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। সঠিক বিষয় ছাড়া আরও বহু বিষয়ে আলোচনা মোটেই চাকরি হওয়ার লক্ষণ নয়। এমন হতে পারে যে, ইন্টারভিউয়ে আপনার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুধু সময়ই নষ্ট করা হচ্ছে। অন্য কাউকে তারা ইতিমধ্যেই নির্বাচিত করেছেন।
১. চাকরিপ্রার্থীর দিকে না তাকানো
ইন্টারভিউয়ের সময় চাকরিপ্রার্থীর দিকে যদি ইন্টারভিউয়াররা ভালোভাবে না তাকান তাহলে বুঝতে হবে কোথাও গণ্ডগোল রয়েছে। আপনার চাকরির ইন্টারভিউ হতে পারে ভালো, কিন্তু তার পরও তারা যদি আপনাকে নিতে প্রস্তুত না থাকেন তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতি হতে পারে। কারণ ইন্টারভিউয়ের সময় যে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করার কথা সেগুলো তারা ঠিকই করবেন। তবে নিয়োগ দিতে আগ্রহী হবেন না।
২. ‘আমাদের আরও যোগ্য লোক রয়েছে…’
ইন্টারভিউ নেওয়ার সময় কর্মকর্তারা আপনাকে নানা কথার ফাঁকে যদি শুনিয়ে দেন যে, ‘আমাদের আরও বহু যোগ্য চাকরিপ্রার্থী রয়েছেন’। আর এ কথাটি কেন তারা বললেন, এ বিষয়টি চিন্তা করলেই আপনি আসল বিষয় বুঝতে পারবেন যে, এ পদের বিপরীতে তারা তাদের দৃষ্টিতে ‘যোগ্য’ কোনো ব্যক্তিকে আগেই নির্বাচিত করেছেন। ইন্টারভিউটা এখন শুধু নিয়ম রক্ষা করা।
৩. আমাদের আরও চাকরি রয়েছে
ধরুন আপনি একটি নির্দিষ্ট পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন। সেখানে আপনার সঙ্গে সেই নির্দিষ্ট পদটির বিষয়েই কথা বলার কথা। কিন্তু নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যদি আপনার সঙ্গে ইন্টারভিউয়ের ফাঁকে জানিয়ে দেন যে, এ চাকরিটা না হলেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। তখন বুঝতে হবে কোথাও গণ্ডগোল রয়েছে।
৪. তাড়াহুড়া
ইন্টারভিউতে তারা যদি সত্যিই আপনাকে নিয়োগ করতে চায় তাহলে প্রচুর সময় নিয়ে আপনার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলবে। আর যদি দেখা যায় তারা ঘন ঘন ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছেন এবং কোনো কারণে দ্রুত ইন্টারভিউ শেষ করতে চাইছেন তাহলে বুঝতে হবে পরিস্থিতি সুবিধের নয়। এখানে চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
৫. সঠিক বিষয়ে আলোচনা না করা
ইন্টারভিউতে আপনি যে বিষয়ে চাকরি করতে চাইছেন ঠিক সেই বিষয়ে আলোচনা যদি না হয় তাহলে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। সঠিক বিষয় ছাড়া আরও বহু বিষয়ে আলোচনা মোটেই চাকরি হওয়ার লক্ষণ নয়। এমন হতে পারে যে, ইন্টারভিউয়ে আপনার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুধু সময়ই নষ্ট করা হচ্ছে। অন্য কাউকে তারা ইতিমধ্যেই নির্বাচিত করেছেন।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল