অন্তর্বাসে হীরা-স্বর্ণ পাচারের ব্যবসায় শিল্পপতির সুন্দরী স্ত্রী

একেতো সুন্দরী, তার ওপর শিল্পপতির স্ত্রী।  কে ছোঁবে তাকে? এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ ব্যবসা করেছেন এতোদিন।  ক্লায়েন্টও ছিল তার ভারতের নামিদামি শিল্পপতির স্ত্রী-কন্যারা।  কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

নাম তার বিহারী শেঠ পোদ্দার।  সিয়ারাম পোদ্দার গ্রুপের বাড়ির লক্ষ্মী! শিল্পপতি অভিষেক পোদ্দারের স্ত্রী।  ২০১৩ সালে চোরাকারবারি করতে গিয়ে ধরা পড়েন।  ভারতীয় রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা তার অন্তর্বাস থেকে হীরা, অত্যন্ত দামি ঘড়ি, আইপ্যাড, ফোন ছাড়াও একটি লাল ডায়েরি পায়।

কর্মকর্তারা জানান, ধরা পড়ার আগে মুম্বাই থেকে ৩২ বার সিঙ্গাপুরে গেছেন বিহারী পোদ্দার।  ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ছিল এসব সফর।

বিহারী পোদ্দারের সেই লাল ডায়েরির সূত্র ধরেই তার এলিট খরিদ্দার পরিচয় পাওয়া যায়।  পরে তাদের সমন পাঠানো হয়। জেরার পর তাদের কাছ থেকে ১৬ কোটি ৪১ লাখ রুপির হীরের গহনা বাজেয়াপ্ত করা হয়।  তাদের জরিমানাও করা হয়। পাশাপাশি কেন তারা এই চোরাই জিনিস কিনেছেন, তা জানতে শোকজও করা হয়।

জানা যায়, মোট ৯ জনের নামে সমন পাঠানো হয়েছিল।  এদের মধ্যে আছেন- মনোজ মোদীর স্ত্রী সুমিতা মোদী, তাদের মেয়ে ভক্তি মোদী।  এই মনোজ হলেন মুকেশ আম্বানির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।  আরো রয়েছেন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার হেমেন্দ্র কোঠারির মেয়ে অদিতি কোঠারি, বালকৃষ্ণ ইনস্ট্রিজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অরবিন্দ পোদ্দারের ভাইপো রিষভ পোদ্দার, আর এক শিল্পপতির স্ত্রী রিনা জৈন, জয়পুরিয়া সিল্ক মিলের ডিরেক্টর আদিত্য জয়পুরিয়ার স্ত্রী বিনিতা জয়পুরিয়া এবং দিল্লির হামদর্দ ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস ও রিসার্চের প্যাথোলজি বিভাগের প্রধান ডাক্তার সুজাতা জেটলি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *