বিডি নিউজ ৬৪: কিছু জিনিসের কথা মনে হলেই অস্বস্তি হয়, যেমন তেলাপোকা। খাবার হিসেবে তেলাপোকা কি চলে? তেলাপোকাকে খাবার হিসেবে ভাবতে যতই বিকট বোধ হোক না কেন, ভবিষ্যতের সেরা খাবারের তালিকায় আসছে তেলাপোকার দুধ।
চিন্তা করুন দামি দামি রেস্তোরাঁতে সুস্বাদু খাবারের রেসিপিতে থাকবে তেলাপোকার এই বিশেষ উপকরণ সমৃদ্ধ খাবার। ভারতের একদল গবেষকদের মতে, তেলাপোকার দুধ নাকি গরুর দুধের চেয়ে ৪ গুণ পুষ্টিসমৃদ্ধ। এই দুধে বিশেষ এক ধরনের প্রোটিন রয়েছে।
প্যাসিফিক বিটল নামের একটি বিশেষ প্রজাতির তেলাপোকাই শুধু এই দুধ উৎপন্ন করে। বাচ্চা তেলাপোকা জন্ম দেয়ার আগেই তারা ভ্রূণকে পুষ্টি দেয়ার জন্য এই বিশেষ প্রোটিন সমৃদ্ধ স্ফটিক নিঃসরণ করে থাকে।

গবেষণার লেখক সঞ্চারি ব্যানার্জি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘এই স্ফটিক আসলে পুরোদস্তুর খাবার। কারণ এতে রয়েছে প্রোটিন, ফ্যাট এবং সুগার। ঐ প্রোটিনের ডিএনএ সিকুয়েন্সে দেখা গেছে এতে পর্যাপ্ত অ্যামিনো এসিড রয়েছে।’
গবেষণার আরেক বিজ্ঞানী রামাশামি বলেছেন, ‘এই প্রোটিনের বিশেষ উপকারিতাও রয়েছে। যেমন, এটা দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি দেবে।’
বিজ্ঞানীদের যে দলটি এই আবিস্কার করেছেন, তারা সবাই ইন্সটিটিউট অব স্টেম সেল বায়োলজি অ্যান্ড রিজেনারেটিভ মেডিসিনে কাজ করেন। তারা বিশ্বাস করেন যে, এই দুধ ভবিষ্যতে প্রোটিনের সম্পূরক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
যে কারণে বিজ্ঞানীরা তেলাপোকার ঐ ক্রিস্টাল দুধ গবেষণাগারে তৈরির প্রচেষ্টায় রয়েছে। এই গবেষণার ফলাফল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব ক্রিস্টালোগ্রাফি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল