বিডি নিউজ ৬৪: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার পালের চরে বানভাসি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করতে গিয়ে দুর্গতদের তোপের মুখে পড়েছেন পিআইও। আজ শুক্রবার প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণ শুকনো খাবার বিতরণ করতে গেলে দুর্গতরা তাঁদের নৌকায় হুমড়ি খেয়ে পড়েন। পরে দুর্গতদের হাত থেকে রক্ষায় দ্রুত পালিয়ে যান তিনি।
এদিকে, টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল আর ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আজ শুক্রবারও নতুন নতুন এলাকায় পানি ঢুকেছে। এ কয়দিনে রৌমারীতে ৫০০ ও রাজীবপুরে ৩০০ পরিবারের ঘরবাড়িতে পানি ঢুকেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা এসব তথ্য জানা গেছে।
রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন জানান, এরই মধ্যে রৌমারীতে ১৫ টন চাল এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং রাজীবপুরে ১০ টন চাল এবং নগদ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দকৃত চাল ও টাকা বানভাসি মানুষের মাঝে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রৌমারীর বন্দবেড়, চরশৌলমারী, যাদুরচর এবং রাজীবপুরের তিন ইউনিয়নের ৮০ ভাগ এলাকায় বন্যার পানি ঢুকেছে বলে জানা গেছে। এতে ৮০০ পরিবারের ঘরে পানি ঢুকেছে এবং ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন তালুকদার ও রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মাহমুদ জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সর্তক রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে বানভাসিদের মাঝে চাল, নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরো বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর ফ্যাক্স পাঠানো হয়েছে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল