বিডি নিউজ ৬৪: বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সংলগ্ন কয়লা ভিত্তিক ২৫০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ নম্বর ইউনিট স্থাপনের ৪০ শতাংশ কাজ ইতি মধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ২০১৮ সালের জুলাই মাসের মধ্যে ইউনিটটি উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন ইউনিটটি উৎপাদনে গেলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াটে গিয়ে দাড়াবে। এর ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিম জোনের বিদ্যুতের চাহিদা পুরোপুরি পূরণসহ লোভোল্টেজের সমস্যা কমে আসবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে বলা হযেছে, ৩ নম্বর ইউনিটের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় প্রত্যক্ষভাবে ১ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েেেছ। পরোক্ষভাবে আরও ৫ হাজার লোক উপকৃত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে খনিসংলগ্ন এলাকায়
২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুইট ইউনিট রয়েছে। এর পাশে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ ইউনিট স্থাপন করা হচ্ছে। ওই ইউনিটটি চালু রাখতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার টন হিসেবে বছরে প্রায় ৭ লাখ মে.টন কয়লার প্রয়োজন হবে।
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সূত্রে আরো জানা যায়, ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিট বাস্তবায়ন করছে চিনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জয়েন ভেঞ্চার অব হারবিন ইলেক্ট্রিক ইন্টাারন্যাশনাল ও সিসিসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোং লিমিটেড। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গত বছরের জুলাই মাস থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল ভবনের পাশে উত্তর দিকে ৩ নাম্বর ইউনিটের বয়লার, টারবাইন, চিমনী নির্মাণের পাইলিনসহ সিভিল ওয়ার্ক এখন শেষ পর্যায় রয়েছে। মেইন ভবন ও বয়লার হাউজের ষ্টিল স্ট্রাকচার ও ২২০ মিটার চিমনী নির্মাণসহ অন্যান্য কাজ চলছে।
এব্যাপারে প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী চৌধুরী নুরুজ্জামান জানান, চলকি জুলাই মাসের মধ্যে কাজের ৩০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪০ শতাংশ কাজ হয়েছে। প্রায় ১ হাজার দেশীয় শ্রমিক, ২৫০ জন চীনা প্রকৌশলী ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিট চালু করায় মনোযোগী হওয়ার কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশ থেকে আমদানীকৃত ৯০ শতাংশ যন্ত্রাংশ প্রকল্প এলাকায় চলে এসেছে। অবশেষে ১০ শতাংশ যন্ত্রাংশ আগামী আগষ্ট মাসের মধ্যে প্রকল্প এলাকায় আসার কথা রয়েছে। চৌধুরী নুরুজ্জামান বলেন, ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে ইউনিটটি উৎপাদনের কথা থাকলেও যেভাবে কাজের অগ্রগতি হচ্ছে তাকে অন্ততঃ ৪ মাস আগে নতুন ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রর ৩য় ইউনিট উৎপাদনে গেলে দেশের উত্তর পশ্চিমজোনের বিদ্যুতের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ হবে। সে সাথে লোভোল্টেজ জনিত সমস্যা কমে আসবে।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক ২৭৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩য় ইউনিটের প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বৈদেশীয় মূদ্রা ও ৮ শ’ ৫২ কোটি টাকা দেশীয় মূদ্রা রয়েছে। পিডিবির ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি হয়েছে ২০১৩ সালের ৪ জুলাই। চুক্তি কার্যকর ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই। আর চুক্তি বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে ৩ বছর, ২০১৮ সালের জুন অবধি।
নতুন ইউনিটটি উৎপাদনে গেলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াটে গিয়ে দাড়াবে। এর ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিম জোনের বিদ্যুতের চাহিদা পুরোপুরি পূরণসহ লোভোল্টেজের সমস্যা কমে আসবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে বলা হযেছে, ৩ নম্বর ইউনিটের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় প্রত্যক্ষভাবে ১ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েেেছ। পরোক্ষভাবে আরও ৫ হাজার লোক উপকৃত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে খনিসংলগ্ন এলাকায়
২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুইট ইউনিট রয়েছে। এর পাশে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ ইউনিট স্থাপন করা হচ্ছে। ওই ইউনিটটি চালু রাখতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার টন হিসেবে বছরে প্রায় ৭ লাখ মে.টন কয়লার প্রয়োজন হবে।
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সূত্রে আরো জানা যায়, ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিট বাস্তবায়ন করছে চিনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জয়েন ভেঞ্চার অব হারবিন ইলেক্ট্রিক ইন্টাারন্যাশনাল ও সিসিসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোং লিমিটেড। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গত বছরের জুলাই মাস থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল ভবনের পাশে উত্তর দিকে ৩ নাম্বর ইউনিটের বয়লার, টারবাইন, চিমনী নির্মাণের পাইলিনসহ সিভিল ওয়ার্ক এখন শেষ পর্যায় রয়েছে। মেইন ভবন ও বয়লার হাউজের ষ্টিল স্ট্রাকচার ও ২২০ মিটার চিমনী নির্মাণসহ অন্যান্য কাজ চলছে।
এব্যাপারে প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী চৌধুরী নুরুজ্জামান জানান, চলকি জুলাই মাসের মধ্যে কাজের ৩০ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪০ শতাংশ কাজ হয়েছে। প্রায় ১ হাজার দেশীয় শ্রমিক, ২৫০ জন চীনা প্রকৌশলী ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিট চালু করায় মনোযোগী হওয়ার কাজের অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশ থেকে আমদানীকৃত ৯০ শতাংশ যন্ত্রাংশ প্রকল্প এলাকায় চলে এসেছে। অবশেষে ১০ শতাংশ যন্ত্রাংশ আগামী আগষ্ট মাসের মধ্যে প্রকল্প এলাকায় আসার কথা রয়েছে। চৌধুরী নুরুজ্জামান বলেন, ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে ইউনিটটি উৎপাদনের কথা থাকলেও যেভাবে কাজের অগ্রগতি হচ্ছে তাকে অন্ততঃ ৪ মাস আগে নতুন ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রর ৩য় ইউনিট উৎপাদনে গেলে দেশের উত্তর পশ্চিমজোনের বিদ্যুতের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ হবে। সে সাথে লোভোল্টেজ জনিত সমস্যা কমে আসবে।
উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক ২৭৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩য় ইউনিটের প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা বৈদেশীয় মূদ্রা ও ৮ শ’ ৫২ কোটি টাকা দেশীয় মূদ্রা রয়েছে। পিডিবির ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি হয়েছে ২০১৩ সালের ৪ জুলাই। চুক্তি কার্যকর ২০১৫ সালের ১৫ জুলাই। আর চুক্তি বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে ৩ বছর, ২০১৮ সালের জুন অবধি।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল