বিডি নিউজ ৬৪: সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপতায় অর্থদাতা ও মদতদাতাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে জঙ্গিবাদ বিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতে সব শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।
রোববার বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। এক ঘণ্টার এ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাব দেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোরে অনুষ্ঠিত দুই দিনের একাদশ এশিয়া-ইউরোপ (আসেম) শীর্ষ সম্মেলনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমসহ বেসরকারি বিভিন্ন টেলিভিশন প্রধানমন্ত্রীর এই সংবাদ সম্মেলন সরাসরি সম্প্রচার করে।
গতকাল শনিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় উলানবাটোর থেকে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইনের বৈঠকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সমন্বিত উদ্যোগের বিষয় উঠে আসে, এ নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতা চেয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।
গুলশানের রেস্টুরেন্ট ও শোকাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের অদূরে সন্ত্রাসী হামলাকে বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় বাধা সৃষ্টির অপপ্রয়াস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চায় না তারা জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে। সব বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশ অচিরেই অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবে।
জঙ্গিবাদ দমনে জাতীয় ঐক্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যাদের সঙ্গে ঐক্য করলে সন্ত্রাস বন্ধ করা সম্ভব তা হয়ে গেছে।
জঙ্গিবাদ এখন শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটি এখন বৈশ্বিক সমস্যা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজ চলছে। ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্তানদের বিষয়ে অভিভাবকদের আরো সচেতন হতে হবে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল