পর্ন ভালোবেসে ল্যাপটপকে বিয়ে করতে চেয়ে আদালতে যুবক

বিডি নিউজ ৬৪: পর্নের নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে ল্যাপটপকেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আমেরিকার এক যুবক। কিন্তু বাদ সাধে রাজ্যের আইন। এবার সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন ক্রিস সেভিয়ার।

দিনে-রাতে ল্যাপটপে যৌন প্রদর্শনী উপভোগ করা ক্রমশ নেশায় বদলে গিয়েছিল পেশায় আইনজীবী তথা মিউজিক প্রোডিউসার উটার বাসিন্দা ক্রিসের। ল্যাপটপের পর্দায় যৌন দৃশ্য দেখতে দেখতে শেষে ডিভাইসের প্রেমে পড়ে যান। তার জেরে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন আদরের ল্যাপটপকে। কিন্তু রাজ্যের আইনে এমন কোনও বিয়েতে অনুমোদন না থাকায় ইচ্ছাপূরণ সম্ভব হয় না তাঁর।

কথায় কথায় মোকদ্দমা লড়াটা এতদিনে অভ্যাসে পরিণত করেছেন ক্রিস সেভিয়ার। এর আগে পর্ন দেখার নেশা ধরানোর জন্য অ্যাপল-কেও কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। চলতি বছরের গোড়ায় উটা ছাড়া টেক্সাস এবং সল্ট লেক কাউন্টি ক্লার্কের বিরুদ্ধেও আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য মামলাটি তুলে নেন।

সোহাগের ল্যাপটপের সঙ্গে বিয়েতে সরকারের কী অসুবিধে, তা কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না সেভিয়ার। যে দেশে সমপ্রেমীদের বিয়ে আইনসিদ্ধ, সেখানে তাঁর সিদ্ধান্তে কী কারণে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। উটাহ কাউন্টির অ্যাটর্নি জেফ বাহম্যান অবশ্য জানিয়েছেন, মামলা খারিজ করার জন্য সরকার আদালতে পাল্টা আবেদন জানাবে। তাতে এতটুকু দমে না গিয়ে সেভিয়ারের পাল্টা হুমকি, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।

‘দ্য হেরাল্ড’ পত্রিকায় এক সাক্ষাত্‍কারে সেভিয়ার জানিয়েছেন, ‘প্রাণহীন এক বস্তুর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক তৈরি করার জন্য আমাকে একঘরে করার চক্রান্ত করা হচ্ছে।’ বার বার যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ল্যাপটপের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আসলে প্লেটোনিক পর্যায়ের।

শেষ পর্যন্ত সেভিয়ারের আবেদনে আইন অনুমোদন দেয় কি না, সেই দিকেই নজর রেখেছে সাইবার দুনিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *