বিডি নিউজ ৬৪: জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালা-২০১৬-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রস্তাবিত নীতিমালাটি ১৯৯৮ সালের জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালায় প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে শফিউল আলম বলেন, টেলিযোগাযোগ নীতিমালা-১৯৯৮, জাতীয় আইসিটি নীতিমালা-২০১৫, জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা-২০০৯ এবং আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার টেলিযোগাযোগ নীতিমালা-২০১০ এই সবগুলোকে সমন্বয় করে বর্তমান নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
আগামী ১০ বছরের জন্য প্রাথমিকভাবে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী পরিষদ সচিব। আর এই নীতিমালায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ধরা হয়েছে।
স্বল্প মেয়াদে ২০১৮ সালের মধ্যে টার্গেট, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমেয়াদী টার্গেট এবং ২০২৫ দীর্ঘ মেয়াদের টার্গেট।
মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছে- ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ টেলিঘনত্ব অর্জন, অর্থাৎ সকল নাগরিকের হাতে টেলিফোন থাকবে। ইন্টারনেটের বিস্তার ৬৫ শতাংশে উন্নীতকরণ, ব্রডব্যান্ডের বিস্তার ৪০ শতাংশে উন্নীতকরণ, সকল ইউনিয়নকে অপটিক্যাল ফাইবারের মহাসড়কে সম্পৃক্তকরণ, সকল ইউনিয়ন পর্যায়ে উচ্চ গতির তারবিহীন ব্রডব্যান্ড সেবা বিস্তৃতকরণ এবং দেশে ২০ শতাংশ বাসস্থান-প্রতিষ্ঠানে উচ্চ গতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কিং নিশ্চিকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদী টার্গেটে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে ইন্টারনেটের বিস্তার ৯০ শতাংশে উন্নীতকরণ, জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড সেবা ভোগের সুবিধার পরিবেশ তৈরি, ৫০ শতাংশ বাসস্থান ও প্রতিষ্ঠানে উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনা।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল