ছেলেদের চুলের উপযুক্ত শ্যাম্পু

চুল নিয়ে ছেলেদের কতো না অভিযোগ। চুল পড়ে যাওয়া, নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়া, খুশকির সমস্যায় ভুগছেন অনেক পুরুষ। চুলের সমস্যারগুলোর মধ্যে প্রধান সমস্যা হলো শ্যাম্পু নিয়ে। চুলের পরিপূর্ণ পুষ্টির জন্য উপযুক্ত শ্যাম্পু আগে বাছাই করতে হবে, নইলে সমস্যা আরও বাড়বে।

খুশকিযুক্ত চুল

সপ্তাহে দুই দিন অলিভ অয়েল গরম করে তুলো দিয়ে মাথার ত্বকে হালকা ঘষে লাগাতে হবে। সারা রাত রেখে পরের দিন ভালো করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। চুল ধোয়ার আধঘণ্টা আগে স্ক্যাল্পে লেবুর রস লাগিয়ে নিন। এতে খুশকি কমবে। মাইল্ড হারবাল শ্যাম্পু ব্যবহার করতো পানে অল্প পরিমাণ। খানিকটা লম্বা চুলের জন্য এক চা চামচ এবং ছোট চুলের জন্য আধা চা চামচ শ্যাম্পু যথেষ্ট।

নির্জীব চুল

নির্জীব চুলের ক্ষেত্রে মাসে দুই বার হেনা প্যাক ব্যবহার করতে হবে। চুলের বৃদ্ধির জন্য নারিকেল তেলের পরিবর্তে আমন্ড অয়েল ব্যবহারে উপকার পাবেন। শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘ই’ সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করলে বেশি উপকার। তবে শ্যাম্পু করার পর এক লিটার পানিতে একটি পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে হারবাল শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও এক লিটার পানিতে দুই টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে শ্যাম্পুর পরে ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে হেয়ার স্পা করতে পারেন।

রঙ করা চুল

কড়া রোদে রঙ করা চুল সহজেই খারাপ হয়ে যায়। রঙ করা চুলের ক্ষেত্রে আলট্রা-ভায়োলেট ফিল্টার-সমৃদ্ধ শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। হালকা হাতে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে নিন। জোরে ঘষলে চুলের কিউটিকল নষ্ট হয়ে যাবে। চুলের রঙ হালকা হয়ে যাবে। এমন চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে মাসে অন্তত একবার কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট করাতে হবে।

জেনে নিন

– তৈলাক্ত চুলে ঘন কন্ডিশনার ব্যবহার করার দরকার নেই।

– শ্যাম্পু করার পর পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। চায়ের পানিও ব্যবহার করতে পারেন।

– শুষ্ক চুলে ভিনেগার, মধু ও ডিমের মিশ্রণ মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে চুল পুষ্টি পাবে।

– চুল শুষ্ক হলে রোদে বেরোনোর আগে লেবুর রস মাথার ত্বকে লাগাবেন না। অ্যালকোহল-সমৃদ্ধ শ্যাম্পু চুলে ব্যবহার করা ক্ষতির কারণ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *