বিডি নিউজ ৬৪: আগের রাতে ভোরের দিকে বন্দুকযুদ্ধে বগুড়া শিয়া মসজিদে ‘হামলাকারীর’ একজন নিহত হয়েছেন। দিন গড়িয়ে রাতে গাবতলীতে তারাবি নামাজ চলাকালে আরো এক মসজিদে ককটেল বিস্ফোরণ। এতে কেউ হতাহত না হলেও এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। কদিন ধরে জঙ্গি হামলার প্রকোপ বাড়লেও এ ঘটনার পেছনে খোদ সরকারদলীয়দের সন্দেহ করছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে গাবতলী উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ লক্ষ্য করে এ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
মুসল্লিরা জানান, গাবতলী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত জামে মসজিদে মুসল্লিরা তারাবি নামাজ আদায় করছিলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে কে বা কারা মসজিদ লক্ষ্য করে পর পর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে মুসল্লিরা তাড়াহুড়ো করে মসজিদ ত্যাগ করে। পরে মোয়াজ্জিন মসজিদে তালা দিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহিদ মাহমুদ খান জানান, গত কয়েকদিন ধরে সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেই জের ধরে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশে মসজিদ সংলগ্ন বিআরডিবি অফিসের পার্শ্বে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব ছাড়াও অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সরকারি কর্মকর্তা উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদে নামাজ আদায় করেন। বুধবার রাতেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় করেছেন। বুধবার কিছু সংখ্যক মুসল্লি আট রাকাত নামাজ আদায় করে চলে যান। অন্যরা মসজিদে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করছিলেন। নামাজের শেষ রাকাতের সময় হঠাৎ করে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে মুসল্লিরা তাড়াহুড়ো করে মসজিদ ত্যাগ করেন। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল