শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে ভর্তির ক্ষেত্রে শতভাগ সাফল্য অর্জন করেছে সরকার। ২০২১ সালে নির্ধারিত থাকলেও ২০১৫ সালেই এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা জেলা প্রশাসন ভবনে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মো. তৈয়ব আলী। প্রথমবারের মতো জেলা তথ্য অফিস এ প্রেস ব্রিফিং করলো। ওই ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে সহকারি তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন এবং মো. মোশারফ হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন।
ওই ব্রিফিংয়ে তিনি (উপপরিচালক মো. তৈয়ব আলী) বলেন, ‘প্রাথমিক স্তরে ভর্তিতে শতভাগ সাফল্য অর্জনের জন্য ২০২১ সালকে নির্দিষ্ট করা হলেও ২০১৫ সালেই তা অর্জিত হয়েছে।’ অবশ্য এখনো রাস্তাঘাটে অনেক শিশুকে ঘুরতে দেখা যায় বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুনির্দিষ্ট কোনো জবাব দেয়া হয়নি।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, দেশ ইতোমধ্যেই খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জন করেছে। এ সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ৮ হাজার টাকা ও দরিদ্র মায়েদের মাতৃত্বকালীন মাসিক ৫০০ টাকা করে ভাতা দেয়ার কথাও সাংবাদিকদের জানানো হয়।
ব্রিফিংয়ে এক পৃষ্ঠায় উদ্ধৃত বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতিপয় সূচকের অগ্রগতির একটি সারণি সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেয়া হয়। ওই সারণিতে ২০০১-২০০৬ সালের সূচক এবং পাশাপাশি ২০১৪-২০১৫ সালের সূচক উল্লেখ করে উন্নয়ন ও অগ্রগতির একটি ধারণা দেয়া হয়েছে।
ওই সারণিতে দেখা যায়, বিএনপি জামায়াতের বিগত শাসন কালে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৪০ থেকে বর্তমান সরকারের আমলে ৬ দশমিক ১৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
এভাবে মোট বিনিয়োগ, সরকারি বিনিয়োগ, রপ্তানি আয়, র্যামিটেন্স, রিজার্ভ, বাজেট বরাদ্দ, মাথাপিছু আয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, গড় আয়ু, দারিদ্রের হার এবং অতি দারিদ্রের সূচক দেশ ২০০১-২০০৬ সালের চেয়ে ২০১৪-২০১৫ সালে কতটা এগিয়েছে তা গাণিতিকভাবে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়াও ওই ব্রিফিংয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা এবং তা অর্জনে দেশ সক্ষম হবে বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।