বিডি নিউজ ৬৪: কুমিল্লায় কুমিল্লা নাঙ্গলকোট বাঙ্গড্ডা গ্রামে তাহমিনা আক্তার (২১) এক গৃহবধু প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল।
রোববার দিবাগত রাত ১০টায় স্বামীর ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে যানা যায়। নিহত তাহমিনা বাঙ্গড্ডা গ্রামে বাহরাইন প্রবাসী আব্দুল মমিনের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত তাহমিনা আক্তারের সাথে গত ৪ মাস পূর্বে একই গ্রামের ইব্রাহীমের ছেলে মনিরের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পর দিন তাহমিনাকে উপজেলার পেড়িয়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের মোঃ নবীর ছেলে রাসেল আহম্মেদ ভাগিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তারা আবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। রোববার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তানিয়া আক্তারের লাশ লাকসাম ফেয়ার হেলথ হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সে (ঢাকা মেট্রো ছ-৭১১২৬৫) করে তার বাপের বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় এলাকাবাসী লাশের পরিচয় জানতে চাইলে লাশের সাথের লোকজনসহ এ্যাম্বুলেন্স চালক লাশ এ্যাম্বুলেন্সে রেখে পালিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট থানায় নিয়ে আসে।
নিহত তাহমিনার স্বামীর বাড়ী শিবপুরের সাবেক মেম্বার নাজির আহম্মদ জানান, দ্বিতীয় স্বামী রাসেলের চাচী তাহমিনার ফুফু হওয়ার সুবাদে রাসেল ও তাহমিনার সাথে প্রেমের সর্ম্পক হয়। যার ফলে তাহমিনাকে বিয়ে দেয়ার পর রাসেলের নিকট চলে আসে। তবে রাসেলের বাড়ির পাশের চা দোকানী আব্দুর রহিম জানান, রাসেল শনিবার রাত ৯টায় আমার দোকানে এসেছে এবং চা পান করেছে।
এব্যাপারে তাহমিনার দ্বিতীয় স্বামী রাসেল আহম্মেদের বাড়ীতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার স্বজনরা রাসেলের নাম্বার দিতে রাজী হয়নি। রাসেলের বাবা স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী মোঃ নবীর মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। গৃহবধূ তানিয়ার মৃত্যু নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়টি নাঙ্গলকোট থানার ওসি মোঃ আয়ুব জানান, লাকসাম ফেয়ার হেলথ হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সে (ঢাকা মেট্রো ছ-৭১১২৬৫) আটক করার পর ডাক্তার জানায় নিহত তাহামিনা বিশ পান করেছে। ওয়াস করার পর তাহমিনা মারা যায়। তবে কে বা কারা তাকে হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্সে করে এনেছে তাহা জানা যায়নি। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল