বিডি নিউজ ৬৪: ঝালকাঠিতে বোমা ফাটিয়ে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি ও লুট হওয়া বাকি স্বর্ণালংকার উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জুয়েলার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের ডাক্তারপট্টি সড়কে সংঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের রিমান্ডে নিয়েও পুলিশ এখনো তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লুট হওয়া বাকি স্বর্ণালংকারগুলো উদ্ধারে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। এতে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনার ঝালকাঠি জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি দেবব্রত কর্মকার। সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ী মুসলিম গিনি হাউজের মালিক মো. শাহজাহান হাওলাদার ও মামলার বাদী হাসান ইমামসহ ২০ জন ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, গত ২১ নভেম্বর রাতে শহরের ডাক্তারপট্টি সড়কের মুসলিম গিনি হাউজে ঢুকে ৮ থেকে ১০ জন সশস্ত্র ডাকাত দল বোমা ফাটিয়ে ১১৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় গাবখান সেতুর টোলঘর এলাকা থেকে ৬ জনকে আটক করে ৪০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করে পুলিশ। পরে দুইজনকে ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। ওই দুইজন তাদের স্বীকারোক্তিতে এঘটনার সাথে জড়িত আরো ৬ জনের নাম প্রকাশ করে।
কিন্তু ঘটনার চারদিন অতিবাহিত হলেও বাকি ৭৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ অবস্থায় ঝালকাঠির স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা নিরাপদ নয়। এ ঘটনার সাথে স্থানীয় একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। ২০০৯ সালেও মুসলিম গিনি হাউজে ডাকাতি হয়।
এসব ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত না করায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। আগামী ২৬ নভেম্বরের মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও লুট হওয়া বাকি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেয় জুয়েলার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সময়ের সিসি টিভির ফুটেজ সাংবাদিকদের সরবরাহ করা হয়।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল