বিডি নিউজ ৬৪: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জিয়াউর রহমান কখনো জোর করে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাননি। এ দেশের জনগণ, কৃষক, শ্রমিক জনতা আদর করে নিয়ে গিয়ে তাঁকে বসিয়েছিল।
আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এ মন্তব্য করেন। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে মহিলা দল এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমানকে আওয়ামী লীগ খলনায়কে পরিণত করতে চাইছে। কিন্তু তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাঁর অবদান অস্বীকার করলে বিএনপি বা জিয়াউর রহমান খাটো হন না। যাঁরা অস্বীকার করেন, তাঁরাই খাটো হন। এতে তাঁদের অজ্ঞতা ও হীনম্মন্যতা প্রকাশ পায়।
তিনি দাবি করেন, জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। আর এ কারণেই তিনি আওয়ামী লীগ যে গণতন্ত্র হরণ করেছিল, তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি শেখ মুজিবুর রহমানকে খাটো করতে চায় না। বিএনপি সব সময় তাঁর অবদান স্বীকার করে। কিন্তু আওয়ামী লীগ একবারের জন্যও জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করে না। শুধু জিয়া নন, জেনারেল ওসমানী, তাজউদ্দীন আহমদের অবদানও আওয়ামী লীগ স্বীকার করে না। অন্যকে অস্বীকার করার এই প্রবণতা আওয়ামী লীগের চরিত্রে মিশে আছে।
মির্জা ফখরুল দাবি করেন, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান শুধু ব্যক্তি নন, কারও স্ত্রী বা সন্তান-এটা মূল পরিচয় নয়। তাঁরা এ দেশের ১৬ কোটি মানুষের রাজনীতির চিন্তার প্রতীক। তাঁরা স্বাধীনতার পতাকা ধরে আছেন।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের ব্যর্থতার কারণে জাসদের জন্ম হয়েছিল। দেশ শাসনে আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির কারণে তাদের লোকজন দল থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল।
মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল