বিডি নিউজ ৬৪: একটা প্রাচীর ভাগ করেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী পরাজিত জার্মানিকে। তৎকালীন সোভিয়েত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে তৈরি হয়েছিল পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি, যা বিলুপ্ত হয় ১৯৯০ সালে। ১১ ফুটের বেশি সেই কুখ্যাত জার্মান প্রাচীরের থেকেও বড় প্রাচীর তৈরি হচ্ছে দেশটিতে। উচ্চতা হবে ১২ ফুট। লক্ষ্য জার্মানিতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের আলাদা করা।
মিউনিখ শহরের কাছে নিউপার্লাখ সুড শহরে তৈরি হচ্ছে এই দেয়াল। মিউনিখের অল্প দূরেই রয়েছে শিবির। সেখানে ১৬০ জন শরণার্থী শিশু রয়েছে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে ইউরোপজুড়ে তৈরি হয়েছে শরণার্থী সমস্যা। বিভিন্ন বাধা পার করে শরণার্থীরা জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। জার্মানির গোয়েন্দা বিভাগের সতর্কতা, শরণার্থী পরিচয়ের আড়ালে জঙ্গিরা ঢুকেছে। চিন্তিত সে দেশের সরকার।
প্রাথমিকভাবে শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বজোড়া প্রশংসিত হয়েছিল জার্মান সরকার। সেই শরণার্থী ছোঁয়া বাঁচাতে প্রশংসা ভুলে প্রাচীর তৈরিতে মগ্ন জার্মান সরকার। ফলে মিউনিখের শরণার্থীরা কোনোভাবেই মূল শহরে প্রবেশ করতে পারবেন না।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের শরণার্থী গ্রহণ নীতি তাঁর দেশেই ধাক্কা খেয়েছে। মিউনিখের প্রাচীর তৈরি তারই প্রমাণ।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল